Breaking

Sunday, May 17, 2026

Sunday, May 17, 2026

GST সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর PDF || জিএসটি || Goods and Service Tax

GST সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর PDF || জিএসটি

GST সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর PDF
জিএসটি প্রশ্ন উত্তর
Hello Friends,
আজ GST সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর PDF আপনাদের সঙ্গে বাংলা ভাষায় শেয়ার করছি, যেটিতে GST সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর এবং সমস্ত তথ্য বিশদে দেওয়া আছে, যা সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জনে অনন্য ভুমিকা পালন করবে। তাছাড়া GST ভারতের অর্থনীতিতে একটা অন্যরকম প্রভাব ফেলেছে। তাই এই বিষয়ে জেনে রাখা ভালো বলেই আমরা মনে করি।

GST সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর 

কিছু নমুনা প্রশ্ন-উত্তর::

❏ GST প্রথম কোন দেশ এবং কবে চালু করে?
Ans:- ১৯৫৪ সালে ফ্রান্স প্রথম চালু করে

❏ GST-এর পুরো কথা কী?
Ans:- Goods & Service Tax

❏ ভারতে GST কবে থেকে চালু হয়?
Ans:- ১লা জুলাই ২০১৭

❏ ভারত কোন দেশের জিএসটি মডেল অনুসরণ করছে?
Ans:- কানাডা

❏ কততম সংবিধান সংশোধনী বিলে জিএসটিকে পাশ করা হয়?
Ans:- ১২২

❏ ভারতের কোন রাজ্য প্রথম GST সমর্থন করে?
Ans:- আসাম

❏ ভারতের কোন রাজ্য সর্বশেষ GST সমর্থন করে?
Ans:- জম্মু-কাশ্মীর

❏ জিএসটি নাম্বার কতগুলি সংখ্যায় লেখা থাকে?
Ans:- ১৫টি

❏ GST কোন ধরনের কর?
Ans:- পরোক্ষ কর

❏ জিএসটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কে?
Ans:- অর্থমন্ত্রী

এই ভাবে GST-র সমস্ত প্রশ্ন গুলি পিডিএফে আছে

File Details::
File Name: GST Bengali GK
File Format: PDF
No. of Pages: 165
File Size: 2.91 MB

Sunday, May 17, 2026

ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তালিকা PDF || Five Years Plan of India In Bengali

ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তালিকা (১৯৫১-২০১৭) || পরিকল্পনা, সময়কাল ও উদ্দেশ্য

ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা PDF
ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
Hello বন্ধুরা,
আজ ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা PDFটি আপনাদের প্রদান করছি, যেটিতে ১৯৫১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার তথ্য রয়েছে। ভারতের অর্থনীতির অন্যতম একটি অধ্যায় হিসাবে বিভিন্ন পরীক্ষাতে এখান থেকে প্রশ্ন আসে। যেমন:- ভারতে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল? গরিবী হটাও কোন পরিকল্পনায় শ্লোগান দেওয়া হয়েছিল? ইত্যাদি।

ভারতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

১) প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৫১-৫৬
উদ্দেশ্য: প্রাথমিক ক্ষেত্রের উন্নয়ন। সেচ ও শক্তি, কৃষি ও সম্প্রদায় উন্নয়ন, পরিবহন ও যোগাযোগ।

২) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৫৬-৬১
উদ্দেশ্য: পাবলিক সেক্টর ও দ্রুত শিল্পায়ন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও লৌহ-ইস্পাত শিল্প।

৩) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৬১-৬৬
উদ্দেশ্য: গম উৎপাদন বৃদ্ধি, সিমেন্ট ও সার কারখানা, গ্রামীন প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা।

১৯৬৬-৬৯ প্ল্যান হলি ডে

৪) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৬৯-৭৪
উদ্দেশ্য: সবুজ বিপ্লব, দুগ্ধ বিপ্লব, ব্যাঙ্ক জাতীয়করণ। প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা (পোখরান-১)।

৫) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৭৪-৭৮
উদ্দেশ্য: কৃষি স্বনির্ভরতা, কর্মসংস্থান, দারিদ্র দূরীকরণ, ন্যায়।

১৯৭৮-৮০ রোলিং প্ল্যান

৬) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৮০-৮৫
উদ্দেশ্য: আর্থিক ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, মূল্য নিয়ন্ত্রন তুলে দেওয়া।

৭) সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৮৫-৯০
উদ্দেশ্য: অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা, সামাজিক ন্যায়, খাদ্যশস্য উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়ন।

 ১৯৯০-৯২ অ্যানুয়াল প্ল্যান

৮) অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৯২-৯৭
উদ্দেশ্য: আর্থিক উদারীকরন ও বিশ্বায়ন, শিল্প আধুনিকীকরন।

৯) নবম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ১৯৯৭-২০০২
উদ্দেশ্য: সামাজিক পরিকাঠামো, জল নীতি, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উন্নয়ন।

১০) দশম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ২০০৩-০৭
উদ্দেশ্য: দারিদ্র দূরীকরণ, আঞ্চলিক বৈষম্য রোধ, কর্মসংস্থান, স্বাক্ষরতা।

১১) একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ২০০৭-১২
উদ্দেশ্য: পানীয় জল, লিঙ্গ বৈষম্য রোধ, দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষার ক্ষমতায়ন, স্থিতিশীল উন্নয়ন।

১২) দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
সাল: ২০১২-১৭
উদ্দেশ্য: কৃষি শিল্প বানিজ্যের উন্নতি ও বৃদ্ধি, দারিদ্র দূরীকরণ & কর্মসংস্থান।

সম্পূর্ণ তালিকাটি পিডিএফে রয়েছে

File Details::
File Name: পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
File Format: PDF
No. of Pages: 2
File Size: 416 KB

Click Here to Download

Sunday, May 17, 2026

গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF | WB Gram Panchayat Question Paper PDF

WB Gram Panchayat Previous Year Question Paper PDF: পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র ডাউনলোড

গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF
পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের অধীনে গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগ পরীক্ষা চাকরিপ্রার্থীদের কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হয়। এই পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সঠিক প্রস্তুতি এবং প্রচুর অনুশীলনের প্রয়োজন। আর এই প্রস্তুতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র (Previous Year Question Papers) এবং মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Papers)।

আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব কেন এই প্রশ্নপত্রগুলি আপনার প্রস্তুতির জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে আপনি সহজেই পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগের প্রশ্নপত্র PDF ডাউনলোড করতে পারবেন।

পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রশ্ন কাঠামো একনজরে

প্রশ্নপত্র সমাধানের আগে পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগ পরীক্ষায় সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর প্রশ্ন আসে:
বিষয় (Subject) প্রশ্নের ধরন ও স্তর
বাংলা (Bengali) ব্যাকরণ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, শুদ্ধ বানান
ইংরেজি (English) Basic Grammar, Vocabulary, Fill in the blanks
গণিত (Mathematics) পাটিগণিত (মূলত অষ্টম/দশম শ্রেণীর মানের)
সাধারণ জ্ঞান (GK) ইতিহাস, ভূগোল, পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, চলতি ঘটনাবলী

কেন বিগত বছরের বা মডেল প্রশ্নপত্র সমাধান করবেন?

পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শুধুমাত্র বই পড়াই যথেষ্ট নয়। প্রশ্নপত্র সমাধান করলে আপনি বেশ কয়েকটি সুবিধা পাবেন
  • প্রশ্নের ধরন বোঝা: পরীক্ষায় ঠিক কী ধরনের প্রশ্ন আসে, তার একটি পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়।
  • সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management): নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, যা পরীক্ষার হলে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
  • দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: মক টেস্ট বা মডেল প্রশ্নপত্র সমাধান করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন বিষয়ে আপনার আরও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
  • গুরুত্বপূর্ণ টপিক সম্পর্কে ধারণা: বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় কিছু নির্দিষ্ট টপিক থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগের প্রশ্নপত্র PDF

২০১৮

পঞ্চায়েত কর্মী নিয়োগ প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬৬৪ KB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত সহায়ক প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬.৫৪ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত নির্মান সহায়ক প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৫.৬৭ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত সেক্রেটারী প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬.১৪ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত একজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬.৭৪ MB
ডাউনলোড
আরো দেখুন
PSC-এর সমস্ত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র PDF
Sunday, May 17, 2026

এশিয়া মহাদেশের 48 টি দেশের নাম ও রাজধানীর নাম PDF

এশিয়া মহাদেশের ৪৮ টি দেশের নাম ও রাজধানীর নাম (PDF সহ)

এশিয়া মহাদেশের 48 টি দেশের রাজধানীর নাম PDF
এশিয়া মহাদেশের 48 টি দেশের রাজধানীর নাম PDF

সাধারণ জ্ঞান, কুইজ প্রতিযোগিতা, স্কুল-কলেজের পরীক্ষা কিংবা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি—সব ক্ষেত্রেই এশিয়া মহাদেশের ৪৮ টি দেশের নাম ও রাজধানীর নাম জানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। এশিয়া হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং জনবহুল মহাদেশ, যেখানে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ভাষা এবং ইতিহাসের মেলবন্ধন ঘটেছে।

আপনি যদি এশিয়া মহাদেশের দেশ এবং তাদের রাজধানীর তালিকা খুঁজছেন, তবে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকের এই পোস্টে আমরা এশিয়ার ৪৮টি দেশের নাম এবং রাজধানীর একটি নির্ভুল তালিকা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। সেই সাথে আপনাদের সুবিধার্থে একটি PDF ফাইলও দেওয়া হয়েছে, যা আপনি খুব সহজেই ডাউনলোড করে অফলাইনে পড়তে পারবেন।

এশিয়া মহাদেশের ৪৮ টি দেশের নাম ও রাজধানীর তালিকা

নিচে এশিয়ার ৪৮টি দেশ এবং তাদের রাজধানীর নাম বাংলা বর্ণমালা ক্রমানুসারে একটি টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:
ক্রমিক নং দেশের নাম (Country) রাজধানীর নাম (Capital)
আফগানিস্তান (Afghanistan)কাবুল (Kabul)
আর্মেনিয়া (Armenia)ইয়েরেভান (Yerevan)
আজারবাইজান (Azerbaijan)বাকু (Baku)
বাহরাইন (Bahrain)মানামা (Manama)
বাংলাদেশ (Bangladesh)ঢাকা (Dhaka)
ভুটান (Bhutan)থিম্পু (Thimphu)
ব্রুনাই (Brunei)বন্দর সেরি বেগাওয়ান (Bandar Seri Begawan)
কম্বোডিয়া (Cambodia)নমপেন (Phnom Penh)
চীন (China)বেইজিং (Beijing)
১০সাইপ্রাস (Cyprus)নিকোসিয়া (Nicosia)
১১জর্জিয়া (Georgia)তিবিলিসি (Tbilisi)
১২ভারত (India)নয়াদিল্লি (New Delhi)
১৩ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)জাকার্তা (Jakarta)
১৪ইরান (Iran)তেহরান (Tehran)
১৫ইরাক (Iraq)বাগদাদ (Baghdad)
১৬ইসরায়েল (Israel)জেরুজালেম (Jerusalem)
১৭জাপান (Japan)টোকিও (Tokyo)
১৮জর্ডান (Jordan)আম্মান (Amman)
১৯কাজাখস্তান (Kazakhstan)আস্তানা (Astana)
২০কুয়েত (Kuwait)কুয়েত সিটি (Kuwait City)
২১কিরগিজস্তান (Kyrgyzstan)বিশকেক (Bishkek)
২২লাওস (Laos)ভিয়েনতিয়েন (Vientiane)
২৩লেবানন (Lebanon)বৈরুত (Beirut)
২৪মালয়েশিয়া (Malaysia)কুয়ালালামপুর (Kuala Lumpur)
২৫মালদ্বীপ (Maldives)মালে (Male)
২৬মঙ্গোলিয়া (Mongolia)উলানবাটার (Ulaanbaatar)
২৭মিয়ানমার (Myanmar)নেপিদো (Naypyidaw)
২৮নেপাল (Nepal)কাঠমান্ডু (Kathmandu)
২৯উত্তর কোরিয়া (North Korea)পিয়ংইয়ং (Pyongyang)
৩০ওমান (Oman)মাস্কাট (Muscat)
৩১পাকিস্তান (Pakistan)ইসলামাবাদ (Islamabad)
৩২ফিলিস্তিন (Palestine)রামাল্লা / জেরুজালেম
৩৩ফিলিপাইন (Philippines)ম্যানিলা (Manila)
৩৪কাতার (Qatar)দোহা (Doha)
৩৫সৌদি আরব (Saudi Arabia)রিয়াদ (Riyadh)
৩৬সিঙ্গাপুর (Singapore)সিঙ্গাপুর সিটি (Singapore)
৩৭দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea)সিউল (Seoul)
৩৮শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)শ্রী জয়াবর্ধনেপুরা কোট্টে / কলম্বো
৩৯সিরিয়া (Syria)দামেস্ক (Damascus)
৪০তাজিকিস্তান (Tajikistan)দুশানবে (Dushanbe)
৪১থাইল্যান্ড (Thailand)ব্যাংকক (Bangkok)
৪২পূর্ব তিমুর (Timor-Leste)দিলি (Dili)
৪৩তুরস্ক (Turkey)আঙ্কারা (Ankara)
৪৪তুর্কমেনিস্তান (Turkmenistan)আশগাবাত (Ashgabat)
৪৫সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)আবুধাবি (Abu Dhabi)
৪৬উজবেকিস্তান (Uzbekistan)তাশখন্দ (Tashkent)
৪৭ভিয়েতনাম (Vietnam)হ্যানয় (Hanoi)
৪৮ইয়েমেন (Yemen)সানা (Sanaa)

এশিয়া মহাদেশের ৪৮ টি দেশের নাম ও রাজধানী PDF

PDF Download করুন
Sunday, May 17, 2026

2026 Bengali Current Affairs PDF || বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০২৬

Bengali Current Affairs 2026 PDF (January-December)

2026 Bengali Current Affairs PDF
2026 Bengali Current Affairs PDF 
Dear Aspirants,
আজ 2026 Bengali Current Affairs PDF গুলি শেয়ার করছি, যেটিতে ২০২৬ সালের সমস্ত মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পিডিএফ গুলি দেওয়া আছে বাংলা ভাষায়। সময়ের সাথে আগত সমস্ত মাসের পিডিএফ গুলিও সংযোজন করা হবে। বর্তমানে চাকরির পরীক্ষায় অপরিহার্য বিষয় হিসাবে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে প্রশ্ন এসেই থাকে। তাই এই গুলি সংগ্রহ করুন ফ্রিতে এবং প্রস্তুতিকে এগিয়ে নিয়ে চলুন।

       এখানে MCQSAQ এবং English তিনটি ভার্সনেই দেওয়া হলো; যার যেটা প্রয়োজন সেটা সংগ্রহ করে নিন এখান থেকে।

2026 Bengali Current Affairs PDF

বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০২৬ PDF

সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে পিডিএফ ডাউনলোড করুন

ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন

Sunday, May 17, 2026

বিভিন্ন নদী তীরবর্তী সভ্যতা তালিকা PDF

বিভিন্ন নদী তীরবর্তী সভ্যতা || নদীমাতৃক সভ্যতা || নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা::

বিভিন্ন নদী তীরবর্তী সভ্যতা || River valley civilization
নদী তীরবর্তী সভ্যতা
হ্যালো বন্ধুরা,
আজ বিভিন্ন নদী তীরবর্তী সভ্যতা তালিকা PDFটি এখানে উপস্থাপন করা হলো, যেটিতে বিশ্বের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য নদীকেন্দ্রীক সভ্যতার নামের লিস্ট রয়েছে। প্রাচীন ইতিহাসে আমরা একাধিক এইরকম সভ্যতার পরিচয় পাই। আর এখান থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে; যেমন- সিন্ধু সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল? মিশরীয় সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল? ইত্যাদি।

নদী তীরবর্তী সভ্যতা

নদী সভ্যতার নাম
সিন্ধু নদী মহেঞ্জোদাড়ো সভ্যতা
রাভী বা ইরাবতী নদী হরপ্পা সভ্যতা
নীলনদ মিশরীয় সভ্যতা
টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদী মেসোপটেমিয়া সভ্যতা
টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদী ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদী সুমেরীয় সভ্যতা
বাদুর নদী রংপুর সভ্যতা
রাইন নদী সেলটিক/কেলটিক সভ্যতা
টাইবার নদী রোমান সভ্যতা
টাইগ্রীস নদী অ্যাসেরীয় সভ্যতা
হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং নদী চীন সভ্যতা
নদীকেন্দ্রিক সভ্যতার তালিকাটি পিডিএফে আছে


File Details::
File Name: নদী তীরবর্তী সভ্যতা
File Format: PDF
No. of Pages: 1
File Size: 281
Sunday, May 17, 2026

সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান

সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান:

সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান
 রাজা রামমোহন রায়ের অবদান 
নমস্কার বন্ধুরা,
আজ সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান আলোচনা করা হলো, যেখানে ভারতীয় সমাজের সর্বাঙ্গীন সংস্কার ও সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদে তাঁর ভূমিকার কথা বর্ণিত আছে। ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থা যখন কুসংস্কারে আচ্ছন্ন, চরম বর্ণবাদ, ধর্মের নামে দুর্নীতিপরায়ণ পুরোহিত শ্রেণীর আধিপত্য সেই সময় ১৭৭২ (মতান্তরে ১৭৭৪) সালের ২২ শে মে পশ্চিম বঙ্গের হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে রাজা রামমোহন রায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বংশগত পদবী ছিল বন্দোপাধ্যায়। তাঁর পূর্বপুরুষগণ মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার নবাবের অধীনে চাকরি করতেন। নবাবের কাছ থেকে তারা রায় রায়হান উপাধি লাভ করেন।

সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান 


ধর্মসংস্কারে রামমোহন রায়ের অবদান:: 

পৌত্তলিকতার ঘোর বিরোধী রামমোহন হিন্দু ধর্মের প্রচলিত কুপ্রথার বিরুদ্ধে কুঠারাঘাত হানেন। ইসলামের সুফীবাদ ও দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একেশ্বরবাদী ও নিরাকার ব্রহ্মে বিশ্বাসী হন। ১৮০৩ সালে আরবী ও ফারসী ভাষায় ‘তুহফাত উল মুহাহিদীন' বা একেশ্বর বাদীদের প্রতি ‘উপহার’ নামক গ্রন্থ প্রকাশ করেন এবং একই সময় ‘মানজারাতুল আধিয়ান’ বা ‘বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা' নামে পুস্তক প্রকাশ করেন। ১৮১৫ সালে তিনি ব্রহ্ম সম্বন্ধে আলোচনার জন্য আত্মীয় সভা গঠন করেন। সেখানে বিভিন্ন শাস্ত্র সম্পর্কে আলোচনা, বেদপাঠ ও ব্রহ্ম সংগীত অনুষ্ঠিত হতো। ১৮২৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে সার্বজনীন ধর্মের কথা বলা হতো।

সমাজ সংস্কার ও সতীদাহ প্রথা নিরোধ:: 

সমাজের কু-প্রথা ও কু-সংস্কারের বিরুদ্ধে মানুষের মুল্যবোধ ও দৃষ্টি ভঙ্গিতে পরিবর্তন সাধনের জন্য রাজা রামমোহন ব্যাপক জনমত গঠন করেন। ফলে বিভিন্ন ঘৃন্য ও অমানবিক কু-প্রথা যেমন শিশু কন্যা বলি দান, বহুবিবাহ এবং সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়। মুলত ধর্ম সংস্কারের মুলে তার মহৎ উদ্দেশ্য ছিল সমাজ সংস্কার। মানবতার ইতিহাসে প্রাচীন হিন্দু সমাজে সবচেয়ে অমানবিক ও নিষ্ঠুর প্রথা ছিল সতীদাহ। এ প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পরে একই চিতায় স্ত্রীকে জীবন্ত পুঁড়িয়ে মারা হত। তিনি হিন্দু ধর্ম ও বিভিন্ন শাস্ত্র বিশ্লেষন করে প্রমান করেন এটি ধর্ম বিরুদ্ধ এবং তা বাতিলের জন্য জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য লেখনী ধারন করে সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রমান করেন। কিন্তু কট্টর হিন্দুরা তীব্রভাবে বিরোধিতা করেন। তবে রাজা রামমোহন রায়ের আহবানে সারা দিয়ে প্রগতিশীল সমাজ বৃটিশ রাজশক্তিকে এই প্রথার অসারতা বুঝাতে সমর্থ হলে ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর গভর্ণর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করে সতীদাহ উচ্ছেদ আইন প্রণয়ন করেন। এই আইনে স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রীকে আত্মাহুতির নামে জীবন্ত পুড়িয়ে মারাকে দন্ডনীয় ঘোষনা করা হয়।

শিক্ষা সংস্কারে রামমোহন রায়ের অবদান:: 

ভারত বর্ষে শিক্ষা বিস্তারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি পাশ্চাত্য ও প্রাচ্য শিক্ষা ও সভ্যতার সমন্বয়ে আধুনিক শিক্ষায় প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করতে সক্ষম হন। ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে তৎকালীন বড়লাট লর্ড আমহাষ্টের নিকট একটি অনুরোধ পত্র লিখেছিলেন । তিনি নিজ ব্যয়ে ও বন্ধু-বান্ধবের সহায়তায় ১৮২২ সালে কলকাতায় 'এ্যাংলো হিন্দু স্কুল' নামে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেন। এতে ইংরেজী ভাষা, আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শন শিক্ষা দেয়া হত। দেশে শিক্ষা বিস্তারের জন্য তিনি ১৮২৬ সালে বেদান্ত কলেজ স্থাপন করেন এবং একই বছর সংস্কৃত মুক্ত স্বাধীন ব্যাকরণ রচনা করেন তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে বেদান্ত গ্রন্থ ও বেদান্ত সার। তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজ জীবনথেকে কুসংস্কার, অন্ধতা ও মুর্তি পুঁজা বন্ধ করতে হলে শিক্ষার বিকল্প নাই।

রাজনৈতিক সংস্কারে রামমোহন রায়ের অবদান::

রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ও জাতীয় জাগরণে রামমোহন রায় সচকিত ছিলেন। ১৮২১ সালে “সংবাদ কৌমুদী” নামক পত্রিকায় তিনি রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক চেতনায় জনগণকে উজ্জীবিত করতে প্রয়াস পান। ১৮২৩ সালে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা খর্বকারী সংবাদপত্র বিধি পাস হলে ভারতীয়দের নাগরিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রতিবাদ উত্থাপনে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। তাছাড়া, ব্রিটিশ শাসনামলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কৃষকদের দুর্দশার কথাও পার্লামেন্টে উত্থাপন করেন। এক্ষেত্রে তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও আন্তর্জাতিক মননশীলতার প্রতিফলন ঘটে।

               পরিশেষে, ভারত বর্ষে যখন কালরাত্রির অন্ধকার বিরাজ করছিল তখন জ্বাজল্যমান রশ্মির ন্যায় রাজা রামমোহন রায়ের আবির্ভাব ঘটলেও তাকে আজীবন কুসংস্কার ও কুপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। কৈশোর থেকে মহাপ্রয়ান পর্যন্ত মুক্তির মশাল জ্বালিয়ে ভারতের সমাজকে আলোকিত করে গেছেন। ১৮৩৩ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডের ব্রিষ্টল নগরীতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রামমোহন রায়ের সম্পর্কে এই তথ্যটি ভালো লাগলে বন্ধুদের শেয়ার করুন

-ধন্যবাদ-