Breaking

Sunday, June 14, 2026

Sunday, June 14, 2026

বন্দে মাতরম্ গান সম্পর্কিত ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর PDF | Vande Mataram GK in Bengali

বন্দে মাতরম্ গান সম্পর্কিত ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

বন্দে মাতরম্ গান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর PDF
বন্দে মাতরম্ গান সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর PDF
নমস্কার, 
আমাদের ব্লগে আপনাদের স্বাগত। ভারতের জাতীয় গীত 'বন্দে মাতরম্' (Vande Mataram) আমাদের গর্ব এবং জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রধান প্রতীক। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কলম থেকে বেরিয়ে আসা এই অমর গানটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মনে যে আগুন জ্বালিয়েছিল, তা আজও প্রতিটি ভারতীয়র মনে দেশপ্রেমের সঞ্চার করে।

আপনারা যারা বিভিন্ন সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন— যেমন WBPSC, WBP, KP, Primary TET, Railway বা SSC— তারা নিশ্চয়ই জানেন যে, ভারতের ইতিহাস এবং জাতীয় প্রতীক (National Symbols of India) থেকে পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে, আজকের এই পোস্টে আমরা 'বন্দে মাতরম্' সম্পর্কিত ৫০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (Vande Mataram GK Questions and Answers in Bengali) নিয়ে আলোচনা করেছি।

গানটির রচনা, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে সাংবিধানিক স্বীকৃতি পর্যন্ত সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য এখানে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। আসুন, শুরু করা যাক।
বিষয় তথ্য
শিরোনাম বন্দে মাতরম্ (वंदे मातरम्)
অর্থ "মা, আমি তোমায় প্রণাম করি" বা "মা, আমি তোমার বন্দনা করি"
রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ভাষা সংস্কৃত মিশ্রিত বাংলা
প্রথম প্রকাশ 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে (১৮৮২)
প্রথম জনসমক্ষে গাওয়া হয় ১৮৯৬ সাল, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশন
জাতীয় গীত হিসেবে স্বীকৃতি ২৪শে জানুয়ারি ১৯৫০
সুরকার যদুনাথ ভট্টাচার্য (মূল সুর)
সরকারি স্বীকৃতি ভারতের গণপরিষদ একে জাতীয় গীত হিসেবে ঘোষণা করে; এবং জাতীয় সঙ্গীতের (জন গণ মন) সমান মর্যাদা দেওয়া হয়
আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত স্তবক শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক

বন্দে মাতরম্ সম্পর্কিত জিকে প্রশ্ন ও উত্তর PDF

রচনা ও প্রেক্ষাপট (প্রশ্ন ১–১০)

প্রশ্ন ১. ভারতের জাতীয় গীত (National Song) কোনটি?
উত্তর: ভারতের জাতীয় গীত হলো "বন্দে মাতরম্"।

প্রশ্ন ২. বন্দে মাতরম্ কে লিখেছেন?
উত্তর: বন্দে মাতরম্ লিখেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (যিনি বঙ্কিমচন্দ্র চ্যাটার্জি নামেও পরিচিত)।

প্রশ্ন ৩. বন্দে মাতরম্ প্রথম কোন উপন্যাসে প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তর: এটি বঙ্কিমচন্দ্রের বাংলা উপন্যাস 'আনন্দমঠ'-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রশ্ন ৪. আনন্দমঠ উপন্যাসটি কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: আনন্দমঠ উপন্যাসটি ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন ৫. বন্দে মাতরম্ মূলত কোন ভাষায় লেখা হয়েছিল?
উত্তর: এটি মূলত সংস্কৃত মিশ্রিত বাংলায় লেখা হয়েছিল, যা সংস্কৃত শব্দভাণ্ডার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত একটি বাংলা রূপ।

প্রশ্ন ৬. "বন্দে মাতরম্" কথাটির আক্ষরিক অর্থ কী?
উত্তর: সংস্কৃত "বন্দে মাতরম্" বাক্যাংশটির অর্থ হলো "মা, আমি তোমায় প্রণাম করি" বা "মা, আমি তোমার বন্দনা করি"।

প্রশ্ন ৭. গানে উল্লিখিত "মা" কে?
উত্তর: এখানে "মা" হলেন মাতৃভূমির মূর্তপ্রতীক, ভারতমাতা।

প্রশ্ন ৮. বন্দে মাতরম্ কবিতাটি প্রথম কবে রচিত হয়?
উত্তর: মনে করা হয় এটি ১৮৭০-এর দশকে রচিত হয়েছিল, উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বেশ কয়েক বছর আগে।

প্রশ্ন ৯. উপন্যাসের আগে বন্দে মাতরম্ প্রথম কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: কবিতাটি প্রথম ১৮৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর বঙ্কিমচন্দ্রের 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রশ্ন ১০. মূল বন্দে মাতরম্ কবিতায় মোট কয়টি স্তবক আছে?
উত্তর: মূল কবিতাটিতে ছয়টি স্তবক রয়েছে।

স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা (প্রশ্ন ১১–২০)

প্রশ্ন ১১. একটি বড় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে প্রথমবার বন্দে মাতরম্ কবে গাওয়া হয়?
উত্তর: এটি প্রথম ১৮৯৬ সালে কলকাতায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে গাওয়া হয়েছিল।

প্রশ্ন ১২. ১৮৯৬ সালের কংগ্রেস অধিবেশনে বন্দে মাতরম্ কে গেয়েছিলেন?
উত্তর: এটি গেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

প্রশ্ন ১৩. ১৮৯৬ সালের ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: সভাপতি ছিলেন রহিমতুল্লাহ এম. সায়ানি।

প্রশ্ন ১৪. বন্দে মাতরম্ কোন প্রধান জাতীয় আন্দোলনের থিম সং হয়ে উঠেছিল?
উত্তর: এটি স্বদেশী আন্দোলনের (১৯০৫) প্রধান স্লোগান এবং থিম সং হয়ে ওঠে, যা বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ হিসেবে শুরু হয়েছিল।

প্রশ্ন ১৫. কোন ব্রিটিশ ভাইসরয়ের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের ফলে স্বদেশী আন্দোলনের সূচনা হয়?
উত্তর: লর্ড কার্জন, যিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করেছিলেন।

প্রশ্ন ১৬. কোন স্বাধীনতা সংগ্রামী ১৯০৫ সালে "বন্দে মাতরম্" নামে একটি পত্রিকা শুরু করেছিলেন?
উত্তর: পত্রিকাটি শ্রী অরবিন্দ এবং বিপিন চন্দ্র পাল শুরু করেছিলেন, যেখানে শ্রী অরবিন্দ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশ্ন ১৭. ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বন্দে মাতরম্ গাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন?
উত্তর: তারা এটিকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার একটি শক্তিশালী প্রতীক এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি ঐক্যবদ্ধ স্লোগান হিসেবে দেখেছিল, যা তাদের কর্তৃত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ ছিল।

প্রশ্ন ১৮. আনন্দমঠ উপন্যাসটি কোন ঐতিহাসিক ঘটনার উপর ভিত্তি করে রচিত?
উত্তর: এটি ১৮ শতকের শেষের দিকের সন্ন্যাসী বিদ্রোহের (ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ) পটভূমিতে রচিত।

প্রশ্ন ১৯. "বন্দে মাতরম্" পত্রিকায় লেখার জন্য কোন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল?
উত্তর: ১৯০৭ সালে শ্রী অরবিন্দকে গ্রেপ্তার করা হয়, যদিও পরে তিনি বেকসুর খালাস পান।

প্রশ্ন ২০. মাদ্রাজে "বন্দে মাতরম্" স্লোগান নিয়ে প্রথম জনমিছিলের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: মহান তামিল কবি সুব্রহ্মণ্য ভারতী এই মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও নিয়মাবলী (প্রশ্ন ২১–৩০)

প্রশ্ন ২১. ভারতের জাতীয় গীত হিসেবে বন্দে মাতরম্ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়?
উত্তর: ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি ভারতের গণপরিষদ কর্তৃক এটি গৃহীত হয়।

প্রশ্ন ২২. বন্দে মাতরম্-কে জন গণ মন-এর সাথে "সমান মর্যাদা" দেওয়া হবে, এই বিবৃতিটি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি গণপরিষদের সভাপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ এই বিবৃতি দিয়েছিলেন।

প্রশ্ন ২৩. জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) এবং জাতীয় গীতের (National Song) মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: 'জন গণ মন' হলো জাতীয় সঙ্গীত এবং 'বন্দে মাতরম্' হলো জাতীয় গীত। উভয়ের মর্যাদা সমান হলেও, জাতীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে (যেমন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা) যা জাতীয় পতাকা বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

প্রশ্ন ২৪. মূল কবিতার কয়টি স্তবক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে?
উত্তর: শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গীত হিসেবে স্বীকৃত।

প্রশ্ন ২৫. কেন শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছিল?
উত্তর: সকলকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে; কারণ পরবর্তী স্তবকগুলোতে হিন্দু দেব-দেবীদের (যেমন দুর্গা এবং লক্ষ্মী) নির্দিষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যা কিছু গোষ্ঠীর পক্ষে গাওয়া অস্বস্তিকর ছিল। প্রথম দুটি স্তবক হলো মাতৃভূমির প্রতি একটি অসাম্প্রদায়িক বন্দনা।

প্রশ্ন ২৬. স্কুলে বন্দে মাতরম্ গাওয়া বা এর জন্য দাঁড়িয়ে থাকা কি বাধ্যতামূলক?
উত্তর: না। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে এটিকে সম্মান করতে হবে, তবে এটি গাওয়া বাধ্যতামূলক নয় এবং জাতীয় গীতের জন্য দাঁড়ানোর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

বি.দ্র: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার বন্দে মাতরম গানটিকে বাধ্যতামূলকভাবে সমস্ত বিদ্যালয়ে গাওয়ার জন্য নির্দেশ জারি করেছে

প্রশ্ন ২৭. ভারতের সংবিধানে কি বন্দে মাতরম্-এর উল্লেখ আছে?
উত্তর: না, জাতীয় সঙ্গীতের (ধারা ৫১এ) মতো সংবিধানে জাতীয় গীতের কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। এর মর্যাদা গণপরিষদের সভাপতির ঘোষণার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

প্রশ্ন ২৮. জাতীয় গীত গাওয়ার বা বাজানোর সরকারি সময়সীমা কত?
উত্তর: জাতীয় গীতের সরকারি সময়সীমা হলো ৬৫ সেকেন্ড (১ মিনিট ৫ সেকেন্ড)।

প্রশ্ন ২৯. সংবিধানের কোন ধারায় জাতীয় সঙ্গীতের উল্লেখ আছে?
উত্তর: মৌলিক কর্তব্যের (ধারা ৫১এ(ক)) অধীনে জাতীয় সঙ্গীতের উল্লেখ রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে নাগরিকদের "সংবিধান মান্য করতে হবে এবং এর আদর্শ ও প্রতিষ্ঠানসমূহ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে।"

প্রশ্ন ৩০. জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচন কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
উত্তর: ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদের সভাপতিত্বে গণপরিষদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সুরকার ও অনুবাদক (প্রশ্ন ৩১–৪০)

প্রশ্ন ৩১. বন্দে মাতরম্-এর মূল সুর কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: উপন্যাসে প্রকাশিত কবিতাটির মূল সুর যদুনাথ ভট্টাচার্য দিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

প্রশ্ন ৩২. ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে সুরে এটি গেয়েছিলেন তা কোন রাগের ওপর ভিত্তি করে ছিল?
উত্তর: ঠাকুর গানটিকে 'দেশ' রাগে সুরারোপ করেছিলেন, এবং এটি বর্তমানে ব্যবহৃত অন্যতম জনপ্রিয় সুর।

প্রশ্ন ৩৩. বন্দে মাতরম্-এর বিখ্যাত ইংরেজি গদ্য অনুবাদটি কে করেছিলেন?
উত্তর: শ্রী অরবিন্দ "I bow to thee, Mother" শিরোনামে একটি বহুল প্রশংসিত ইংরেজি অনুবাদ লিখেছিলেন।

প্রশ্ন ৩৪. অল ইন্ডিয়া রেডিও (AIR) সংস্করণের গানটির সুর কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: এআইআর (AIR) সংস্করণের সুর পণ্ডিত রবিশঙ্কর দিয়েছিলেন।

প্রশ্ন ৩৫. কোন বিখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী কংগ্রেসের অধিবেশনগুলোতে এই গানটি জনপ্রিয় করতে সাহায্য করেছিলেন?
উত্তর: রাজনৈতিক সমাবেশগুলোতে বন্দে মাতরম্ গাওয়ার ঐতিহ্যকে জনপ্রিয় করতে পণ্ডিত বিষ্ণু দিগম্বর পলুস্কর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

প্রশ্ন ৩৬. ১৯৫২ সালের 'আনন্দমঠ' চলচ্চিত্রে বন্দে মাতরম্-এর বিখ্যাত সুরটি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: ১৯৫২ সালের 'আনন্দমঠ' চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন হেমন্ত কুমার।

প্রশ্ন ৩৭. এ. আর. রহমানের কোন বিখ্যাত অ্যালবামে বন্দে মাতরম্-এর একটি আধুনিক পরিবেশনা রয়েছে?
উত্তর: এ. আর. রহমানের ১৯৯৭ সালের স্টুডিও অ্যালবাম, "মা তুঝে সালাম"-এ বন্দে মাতরম্-এর একটি আধুনিক ও জনপ্রিয় সংস্করণ রয়েছে।

প্রশ্ন ৩৮. কবিতার পরবর্তী অ-গৃহীত স্তবকগুলোতে কোন দেবীদের উল্লেখ রয়েছে?
উত্তর: পরবর্তী স্তবকগুলোতে মাতৃভূমিকে দেবী দুর্গার (দশপ্রহরণধারিণী) রূপে বর্ণনা করা হয়েছে এবং দেবী লক্ষ্মী ও দেবী সরস্বতীর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশ্ন ৩৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: তিনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন ৪০. 'আনন্দমঠ' উপন্যাসের নামের অর্থ কী?
উত্তর: আনন্দমঠ বলতে "The Abbey of Bliss" বা "আনন্দের মঠ"-কে বোঝায়।

১৫০তম বার্ষিকী ও বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা (প্রশ্ন ৪১–৫০)

প্রশ্ন ৪১. ২০২৫ সালের ৭ই নভেম্বর বন্দে মাতরম্-এর কোন বড় মাইলফলক উদযাপিত হচ্ছে?
উত্তর: ২০২৫ সালের ৭ই নভেম্বর বন্দে মাতরম্ কবিতাটির প্রথম প্রকাশের ১৫০তম বার্ষিকী (সার্ধশতবার্ষিকী) পালিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ৪২. ১৮৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর তারিখটি তাৎপর্যপূর্ণ কেন?
উত্তর: এই দিনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় বন্দে মাতরম্ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রশ্ন ৪৩. সম্প্রতি ভারতের কোন রাজ্য সরকার সমস্ত কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের বন্দে মাতরম্ গাওয়ার নির্দেশিকা জারি করেছে?
উত্তর: ২০২৫ সালের অক্টোবরে, মহারাষ্ট্র সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বেলা ১১:১১ মিনিটে বন্দে মাতরম্ (বা এর সুর) গাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রশ্ন ৪৪. মহারাষ্ট্র সরকারের ২০২৫ সালের নির্দেশিকার সরকারি উপলক্ষ কী ছিল?
উত্তর: এটি ছিল বন্দে মাতরম্-এর প্রকাশের ১৫০তম বার্ষিকী (অমৃত মহোৎসব) উদযাপনের একটি অংশ।

প্রশ্ন ৪৫. ২০২৫ সালের ১৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: এই গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, জাতীয় গর্ববোধ বৃদ্ধি করা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে এর ভূমিকা সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষিত করাই এর লক্ষ্য।

প্রশ্ন ৪৬. ১৫০তম বার্ষিকীতে সরকার কোন থিম প্রচার করছে?
উত্তর: থিমটি হলো "গৌরব গান বন্দে মাতরম্" (গর্বের সাথে বন্দে মাতরম্ গাওয়া) এবং জাতি গঠনে এর ভূমিকা।

প্রশ্ন ৪৭. ২০২৫ সালে চালু হওয়া "বন্দে মাতরম্ অভিযান" কী?
উত্তর: এটি বিশেষ করে মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে একটি প্রচার অভিযান, যার মাধ্যমে এই গানটির ১৫০তম বছর পূর্তি উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসগুলোতে এর ব্যাপক গাওয়া নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রশ্ন ৪৮. পশ্চিমবঙ্গে ১৫০তম বার্ষিকী কীভাবে পালিত হচ্ছে?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কাঁঠালপাড়ায় বিশেষ অনুষ্ঠান, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি পালিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ৪৯. ২০২৫ সালের বার্ষিকী গানটির অতীতকে বর্তমানে কোন বিষয়ের প্রতীক হিসেবে যুক্ত করে?
উত্তর: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জাতীয় ঐক্য এবং দেশপ্রেমের প্রতীক হিসেবে।

প্রশ্ন ৫০. এ ধরনের বার্ষিকীতে জাতীয় গীতের মতো জাতীয় প্রতীকগুলোর প্রচারে প্রায়শই কোন মন্ত্রক যুক্ত থাকে?
উত্তর: কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক সাধারণত এ ধরনের জাতীয় মাইলফলক প্রচার ও উদযাপনের জন্য নোডাল বা প্রধান মন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
PDF

বন্দে মাতরম্ ৫০টি জিকে প্রশ্নোত্তর

ফরমেট: PDF | সাইজ: 398 KB | পেজ: ৫

ডাউনলোড করুন
Sunday, June 14, 2026

WBCS Preliminary Question Paper 2024 PDF | ডব্লুবিসিএস ২০২৪ প্রিলি প্রশ্নপত্র

WBCS Preliminary Question Paper 2024 PDF Download

WBCS Preliminary Question Paper 2024 PDF
WBCS Preliminary Question Paper 2024 PDF

আজ ১৪ই জুন, ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (WBCS) ২০২৪-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা রাজ্যজুড়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আপনি যদি আজকের পরীক্ষায় বশে থাকেন এবং নিজের উত্তরগুলো মিলিয়ে দেখতে চান, অথবা আগামী বছরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন একজন পরীক্ষার্থী হন—তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ব্লগে আমরা WBCS Preliminary 2024 Question Paper PDF ডাউনলোডের সরাসরি লিঙ্ক দিয়েছি আপনাদের সুবিধার্থে। সুতরাং দেরী না করে আজকের প্রশ্নপত্রটি সংগ্রহ করে নিন।

WBCS Preliminary Exam 2024 Question Paper PDF

পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) দ্বারা আয়োজিত এই পরীক্ষাটি রাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক প্রশাসনিক পদের জন্য নেওয়া হয়। 
পরীক্ষার নাম West Bengal Civil Service (WBCS) Preliminary 2024
পরিচালনা কমিটি West Bengal Public Service Commission (WBPSC)
পরীক্ষার তারিখ ১৪ই জুন, ২০২৬
মোট নম্বর ২০০ (MCQ Type)
সময়সীমা ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
নেগেটিভ মার্কিং হ্যাঁ (প্রতি ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা যাবে)
পরীক্ষা শেষ হতেই বহু পরীক্ষার্থী ইন্টারনেটে প্রশ্নপত্রের PDF খুঁজছেন। আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে সরাসরি ডাউনলোডের লিঙ্ক দেওয়া হলো। নিচের বোতাম বা লিঙ্কে ক্লিক করে আপনি সহজেই আজ অনুষ্ঠিত হওয়া WBCS প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রটি ডাউনলোড করতে পারবেন।
📄 WBCS Prelims 2024 Question Paper
ফাইল ফরম্যাট:
PDF Document
ফাইলের সাইজ:
5.66 MB
পেজ সংখ্যা:
42 Pages
সেট:
Set A
📥 Download PDF
Sunday, June 14, 2026

WBCS Main 2022 Question Papers PDF

WBCS Main 2022 প্রশ্নপত্র PDF

WBCS Main 2022 Question Papers PDF
WBCS Main 2022 Question Papers PDF
নমস্কার বন্ধুরা,
আজ WBCS Main 2022 Question Papers PDF গুলি দিচ্ছি, যেটিতে সমস্ত ডব্লুবিসিএস মেন ২০২২ কম্পালসরি পেপার গুলি রয়েছে। পরবর্তীতে বা আগত সময়ে যারা Main Exam-এ বসবেন তারা এই প্রশ্নপত্র গুলি সংগ্রহ করে প্র্যাকটিস করুন প্রশ্নের মান ও ধরন সম্পর্কে অবহিত হতে।

WBCS Main 2022 Question Papers PDF

Paper Subject Link
Paper I Bengali Download
Paper II English Download
Paper III General Studies-I Download
Paper IV General Studies-II Download
Paper V Indian Constitution and Economy Download
Paper VI Arithmetic and Test of Reasoning Download

Sunday, June 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা 2026 PDF | West Bengal Cabinet Ministers List 2026 in Bengali

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তালিকা 2026 PDF

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের তালিকা 2026 PDF
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা 2026 PDF

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তালিকা 2026 PDF

আপনি যদি "পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা 2026 PDF" খুঁজছেন, তবে এই ব্লগপোস্টটি আপনার জন্য। এখানে নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের একটি বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা (যেমন WBCS, PSC) এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্যাবিনেট মন্ত্রী (Cabinet Ministers)
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর (মন্ত্রণালয়)
শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী: স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর; ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর; বিদ্যুৎ দপ্তর; তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর; কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর এবং অন্য কোনো মন্ত্রীকে বরাদ্দ না করা অন্যান্য দপ্তরসমূহ।
শ্রী নিশীথ প্রামাণিক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর।
শ্রী অশোক কীর্তনীয়া খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং সমবায় দপ্তর।
শ্রী দিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর এবং কৃষি বিপণন দপ্তর।
শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসী উন্নয়ন এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
শ্রীমতি অগ্নিমিত্রা পাল নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
শ্রী দীপক বর্মন বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর, আবাসন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র দপ্তর।
শ্রী তাপস রায় শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তর এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
ডঃ শঙ্কর ঘোষ সংসদ বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১০ শ্রী মনোজ কুমার ওঁরাও বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১১ শ্রী অর্জুন সিং শ্রম দপ্তর এবং পরিবহণ দপ্তর।
১২ শ্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষ অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর এবং জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর।
১৩ শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
১৪ শ্রী স্বপন দাশগুপ্ত অর্থ দপ্তর।
১৫ ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দপ্তর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি দপ্তর এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর।
১৬ ডঃ শারদ্বত মুখার্জী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।
১৭ শ্রী অরূপ কুমার দাস সেচ ও জলপথ দপ্তর।
১৮ ডঃ অজয় কুমার পোদ্দার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং পূর্ত দপ্তর।
১৯ শ্রী দুধ কুমার মণ্ডল কৃষি দপ্তর।
প্রতিমন্ত্রী - স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত (Ministers of State - Independent Charge)
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর (মন্ত্রণালয়)
শ্রীমতি মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর এবং প্রকল্প রূপায়ণ পর্যবেক্ষণ দপ্তর।
শ্রী রাজেশ মাহাতো প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং মৎস্য দপ্তর।
ডঃ ইন্দ্রনীল খাঁন যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর।
প্রতিমন্ত্রী (Ministers of State)
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর (মন্ত্রণালয়)
শ্রী জুয়েল মুর্মু আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর এবং সেচ ও জলপথ দপ্তর।
ডঃ হরেকৃষ্ণ বেরা উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
শ্রী আনন্দময় বর্মন পরিবহণ দপ্তর এবং অর্থ দপ্তর।
শ্রী অশোক দিন্দা কৃষি বিপণন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র দপ্তর।
শ্রী নদীয়ার চাঁদ বাউড়ি পূর্ত দপ্তর এবং অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর।
শ্রী বিশাল লামা স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
শ্রী শান্তনু প্রামাণিক খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর।
শ্রীমতি মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি দপ্তর।
শ্রী উমেশ রাই সংসদ বিষয়ক দপ্তর, নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
১০ শ্রীমতি পূর্ণিমা চক্রবর্তী তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১১ শ্রী কৌশিক চৌধুরী বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর।
১২ শ্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং শ্রম দপ্তর।
১৩ শ্রী দিবাকর ঘরামী সমবায় দপ্তর, বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১৪ শ্রী অমিয় কিস্কু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর এবং কৃষি দপ্তর।
১৫ শ্রীমতি কলিতা মাজি আবাসন দপ্তর।
১৬ শ্রীমতি গার্গী দাস ঘোষ বিদ্যুৎ দপ্তর এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
১৭ অ্যাডভোকেট বিরাজ বিশ্বাস আইন দপ্তর, বিচার বিভাগীয় দপ্তর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর।
১৮ শ্রী দীপঙ্কর জানা ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর এবং সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর।
১৯ শ্রীমতি সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা ২০২৬

ফাইল সাইজ: 1.51 MB | ফরম্যাট: PDF | ক্যাটাগরি: Current Affairs

📥 Download PDF

Thursday, June 11, 2026

Thursday, June 11, 2026

Gram Panchyat GK Mock Test in Bengali Part 393

গ্রাম পঞ্চায়েত জিকে মক টেস্ট পার্ট ৩৯৩ | Gram Panchayat GK Mock Test in Bengali Part 393

Gram Panchyat GK Mock Test in Bengali Part 393
Gram Panchyat GK Mock Test in Bengali

নমস্কার পরীক্ষার্থী বন্ধুরা! সামনেই গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগের পরীক্ষা, আর এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge)। আপনাদের প্রস্তুতিকে আরও নিখুঁত এবং মজবুত করে তুলতে আজ আমরা আয়োজন করেছি গ্রাম পঞ্চায়েত জিকে মক টেস্ট পর্ব ৩৯৩

পঞ্চায়েত কর্মী, সহায়ক, নির্মাণ সহায়ক কিংবা পঞ্চায়েত সমিতির অন্যান্য পদের জন্য যাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য এই প্রশ্নগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত এই ধরনের মক টেস্টে অংশগ্রহণ করলে পরীক্ষার সময় টাইম ম্যানেজমেন্ট করা অনেক সহজ হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
আজকের মক টেস্টে আপনি কত স্কোর করলেন? নিচের কমেন্ট বক্সে অবশ্যই আপনার প্রাপ্ত নম্বর আমাদের জানান। কোনো প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বা নির্দিষ্ট কোনো টপিক নিয়ে আলোচনা চাইলে সেটাও কমেন্ট করে জানাতে পারেন।