বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৮, ২০২৬

নোবেলজয়ী ভারতীয়দের তালিকা | Nobel Prize Winners of India

ভারতের কে কে নোবেল পেয়েছে তালিকা PDF | Indian Nobel Prize Winners GK

সর্বশেষ আপডেট: বিভাগ: স্ট্যাটিক জিকে (Static GK)
ভারতের নোবেলজয়ীদের তালিকা PDF ডাউনলোড করুন
স্ট্যাটিক জিকে: ভারতের সমস্ত নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম, সাল ও ক্ষেত্র

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা (যেমন- WBCS, PSC, SSC বা পুলিশ) দেওয়ার আগে স্ট্যাটিক জিকের একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নোবেল পুরস্কার। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, "সি ভি রমন কোন বিষয়ে নোবেল পেয়েছিলেন?" বা "প্রথম ভারতীয় নোবেল বিজয়ী কে?"। তোমাদের রিভিশনের সুবিধার জন্য আজ আমরা নোবেলজয়ী ভারতীয়দের তালিকা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। সাথে থাকছে অফলাইনে পড়ার জন্য ফ্রি PDF ডাউনলোড লিংক!

ভূমিকা

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন চলছে তোমাদের সরকারি চাকরির প্রস্তুতি?

চাকরির পরীক্ষায় ভালো স্কোর করতে হলে জিকের কিছু নির্দিষ্ট টপিক একদম নখদর্পণে রাখতে হয়। এর মধ্যে "ভারতের নোবেল পুরস্কার প্রাপকগণ" বা Indian Nobel Laureates হলো এমন একটা টপিক, যেখান থেকে প্রশ্ন আসবেই। অনেকেই হয়তো জানেন যে অমর্ত্য সেন নোবেল পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কত সালে বা ঠিক কীসের জন্য নোবেল পান, সেটা গুলিয়ে যায়।

তাই নিচে একটা সুন্দর টেবিলের মাধ্যমে ভারতের কোন কৃতি সন্তান, কত সালে এবং কোন ক্ষেত্রে এই বিশ্বের সেরা সম্মাননা পেয়েছেন, তার নির্ভুল তালিকা দেওয়া হলো। এটা একবার ভালো করে পড়ে নিলে পরীক্ষায় কোনো প্রশ্নই আর আটকাবে না।

নোবেলজয়ী ভারতীয়দের সম্পূর্ণ তালিকা

লাল রঙে হাইলাইট করা নামগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার এসেছে। এগুলো ভালো করে মনে রাখবে।
ভারতীয় নোবেলজয়ীদের নাম, সাল এবং ক্ষেত্র
নোবেলজয়ীর নাম (Name) কোন ক্ষেত্রে পেয়েছেন (Field) সাল (Year)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য (Literature) ১৯১৩
সি. ভি. রমন পদার্থবিজ্ঞান (Physics) ১৯৩০
হর গোবিন্দ খোরানা চিকিৎসাবিদ্যা বা ফিজিওলজি ১৯৬৮
মাদার টেরেসা শান্তি (Peace) ১৯৭৯
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর পদার্থবিজ্ঞান (Physics) ১৯৮৩
অমর্ত্য সেন অর্থনীতি (Economics) ১৯৯৮
ভেঙ্কটরমন রামকৃষ্ণন রসায়ন (Chemistry) ২০০৯
কৈলাশ সত্যার্থী শান্তি (Peace) ২০১৪
অভিজিৎ ব্যানার্জী অর্থনীতি (Economics) ২০১৯

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • প্রথম ভারতীয়: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলেন প্রথম ভারতীয় এবং প্রথম এশীয় ব্যক্তি, যিনি সাহিত্যে (গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য) নোবেল পুরস্কার পান।
  • রমন এফেক্ট: বিজ্ঞানী সি. ভি. রমন আলোর বিচ্ছুরণ বা 'Raman Effect' আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন। এই আবিষ্কারের দিনটিকে স্মরণ করেই ২৮শে ফেব্রুয়ারি ভারতে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস পালন করা হয়।
  • অর্থনীতিতে নোবেল: অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে কল্যাণমূলক অর্থনীতি (Welfare Economics)-র জন্য এই পুরস্কার পান।
  • প্রথম মহিলা: মাদার টেরেসা হলেন ভারতের প্রথম মহিলা নোবেলজয়ী। তিনি আর্ত ও দরিদ্রদের সেবার জন্য শান্তিতে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

পিডিএফ ডাউনলোড

উপরের সম্পূর্ণ তালিকা ও বিবরণ অফলাইনে পড়ার জন্য নিচে দেওয়া লিংক থেকে বিনামূল্যে PDF টি ডাউনলোড করে নাও।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: নোবেল জয়ী ভারতীয়দের তালিকা জিকে
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 1
  • File Size: 375 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রথম কোন ভারতীয় নোবেল পুরস্কার পান?
প্রথম ভারতীয় হিসেবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
অমর্ত্য সেন কবে এবং কোন বিষয়ে নোবেল পান?
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে (মূলত কল্যাণমূলক অর্থনীতি বা Welfare Economics-এর গবেষণার জন্য) নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
সি. ভি. রমন কেন নোবেল পেয়েছিলেন?
বিজ্ঞানী সি. ভি. রমন আলোর বিচ্ছুরণ বা 'রমন এফেক্ট' (Raman Effect) আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৩০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান।
প্রথম ভারতীয় মহিলা নোবেলজয়ী কে?
প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে মাদার টেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
অভিজিৎ ব্যানার্জী কত সালে নোবেল পান?
বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জী দারিদ্র্য দূরীকরণের গবেষণার জন্য ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।

💡 স্ট্যাটিক জিকে (Static GK)-এর এই তথ্যবহুল পোস্টটি তোমাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। যেকোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারো!

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৮, ২০২৬

বিভিন্ন পুরস্কার ও তার ক্ষেত্র তালিকা PDF | সূচনাকাল

কোন ক্ষেত্রে কোন পুরস্কার দেওয়া হয় তালিকা PDF | National & International Awards GK

সর্বশেষ আপডেট: বিভাগ: স্ট্যাটিক জিকে (Static GK)
কোন ক্ষেত্রে কোন পুরস্কার দেওয়া হয় তার সম্পূর্ণ তালিকা PDF ডাউনলোড করুন
স্ট্যাটিক জিকে: ভারতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার, তাদের ক্ষেত্র এবং শুরুর বছর

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

এই পোস্টে আমরা সাহিত্য, বিজ্ঞান, খেলাধুলা থেকে শুরু করে সিনেমা ও সমাজসেবার জগতে দেওয়া দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সম্মাননাগুলোর একটা সম্পূর্ণ তালিকা শেয়ার করেছি। যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (যেমন- ডব্লিউবিসিএস, পুলিশ কনস্টেবল বা রেল) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার (Awards and Honours) থেকে প্রশ্ন আসেই। মুখস্থ করার সুবিধার জন্য নিচে একটা পরিষ্কার টেবিল করে দেওয়া আছে। আর অফলাইনে পড়ার জন্য একদম শেষে ফ্রি Static GK PDF ডাউনলোড লিংকও পেয়ে যাবেন!

ভূমিকা

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন চলছে তোমাদের সরকারি চাকরির প্রস্তুতি?

জিকের জন্য স্টাডি মেটেরিয়াল গোছাতে গিয়ে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছ, পরীক্ষাতে কোন ক্ষেত্রে কোন পুরস্কার দেওয়া হয়, তা নিয়ে একটা না একটা প্রশ্ন আসেই। "কলিঙ্গ পুরস্কার কিসের সাথে যুক্ত?" বা "ভাটনগর পুরস্কার কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয়?"— এই ধরনের প্রশ্নগুলো আজকাল সব পরীক্ষাতেই কমন। শুধু পুরস্কারের নাম মুখস্থ করলেই এখন আর কাজ হয় না, সাথে কবে থেকে সেই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়েছে (Starting Year), সেটাও জেনে রাখা খুব দরকার।

তাই তোমাদের সুবিধার্থে আজ আমি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারের একদম আপডেটেড একটা তালিকা নিয়ে এসেছি। এই তালিকাটা ভালোভাবে পড়ে নিলে জিকে পেপারে তোমাদের কনফিডেন্স অনেকটাই বেড়ে যাবে।

কোন ক্ষেত্রে কোন পুরস্কার দেওয়া হয় তার সম্পূর্ণ তালিকা

লাল রঙে হাইলাইট করা পুরস্কারগুলো বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার এসেছে। এগুলো কোনোভাবেই বাদ দিও না।
পুরস্কার, ক্ষেত্র এবং শুরুর বছরের বিস্তারিত তালিকা
পুরস্কারের নাম (Awards) কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয় (Field) সূচনাকাল
নোবেল পুরস্কার পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসাবিদ্যা, সাহিত্য ও বিশ্বশান্তি ১৯০১
নোবেল (অর্থনীতি) অর্থনীতি (Economics) ১৯৬৯
অস্কার পুরস্কার চলচ্চিত্র বা সিনেমা (Film) ১৯২৯
ম্যান বুকার পুরস্কার সাহিত্য (ইংরেজি ভাষায় লেখা উপন্যাসের জন্য) ১৯৬৯
পুলিৎজার পুরস্কার সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সঙ্গীত রচনা ১৯১৭
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড সঙ্গীত জগতে অসাধারণ কাজের জন্য (Music Industry) ১৯৫৯
রামন ম্যাগসেসে জনসেবা, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ১৯৫৮
কলিঙ্গ পুরস্কার বিজ্ঞানের জনপ্রিয়তা বাড়ানো (Science Popularization) ১৯৫২
শান্তি স্বরূপ ভাটনগর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Science & Technology) ১৯৫৮
বি. সি. রায় পুরস্কার চিকিৎসা শাস্ত্র (Medicine) ১৯৬২
অ্যাবেল পুরস্কার গণিত (Mathematics) ২০০৩
ভারতরত্ন কলা, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং সর্বোচ্চ স্তরের জনসেবা ১৯৫৪
পদ্মবিভূষণ যেকোনো ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজের জন্য (সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও) ১৯৫৪
পদ্মভূষণ যেকোনো ক্ষেত্রে বিশিষ্ট কাজের জন্য ১৯৫৪
পদ্মশ্রী যেকোনো ক্ষেত্রে অসামান্য কাজের জন্য ১৯৫৪
পরমবীর চক্র সেনাবাহিনীতে অসামান্য সাহসিকতা (যুদ্ধক্ষেত্রে) ১৯৪৭
বীর চক্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্বমূলক কাজের জন্য ১৯৪৭
অশোক চক্র সেনাবাহিনীতে বীরত্ব ও সাহসিকতা (যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া অন্য জায়গায়) ১৯৫২
সাহিত্য অ্যাকাডেমী সাহিত্য সম্মাননা (ভারতের স্বীকৃত ভাষাগুলোতে লেখার জন্য) ১৯৫৪
জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান ১৯৬৫
দাদাসাহেব ফলকে চলচ্চিত্রে দারুণ অবদান ও আজীবন উৎকর্ষতা ১৯৬৯
খেল রত্ন পুরস্কার খেলাধুলায় অসাধারণ পারদর্শিতা ১৯৯১-৯২
অর্জুন পুরস্কার খেলাধুলায় বিশেষ কৃতিত্ব ১৯৬১
দ্রোণাচার্য পুরস্কার খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া (Coaches/Trainers) ১৯৮৫
ধ্যানচাঁদ পুরস্কার খেলাধুলায় আজীবন সম্মাননা (সাবেক খেলোয়াড়দের জন্য) ২০০২
সরস্বতী সম্মান সাহিত্য (ভারতীয় ভাষায় অসামান্য রচনার জন্য) ১৯৯১
ব্যাস সম্মান সাহিত্য (হিন্দি ভাষার রচনার জন্য) ১৯৯১
কবীর সম্মান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ১৯৮৬
তানসেন সম্মান হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ২০০০
ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা ১৯৮১
মহাত্মা গান্ধী শান্তি পুরস্কার শান্তি, অহিংসা ও সমন্বয় ১৯৯৫

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • নাম পরিবর্তন: ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান 'রাজীব গান্ধী খেল রত্ন'-এর নাম ২০২১ সালে বদলে 'মেজর ধ্যানচাঁদ খেল রত্ন' রাখা হয়েছে। দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দ প্রথম এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
  • বিজ্ঞান পুরস্কার: বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করার জন্য 'কলিঙ্গ পুরস্কার' দেয় UNESCO। অন্যদিকে, ভারতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সম্মান হলো 'শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার'।
  • অ্যাবেল পুরস্কার (Abel Prize): নরওয়ের রাজার তরফ থেকে দেওয়া এই পুরস্কারটিকে 'গণিতের নোবেল' (Nobel of Mathematics) বলা হয়।
  • রামন ম্যাগসেসে: ফিলিপিন্সের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নামে দেওয়া এই পুরস্কারটিকে 'এশিয়ার নোবেল পুরস্কার' বলা হয়। বিনোবা ভাবে প্রথম ভারতীয় হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
  • সর্বোচ্চ সম্মান: ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান 'ভারতরত্ন', সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'পরমবীর চক্র' এবং সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান হলো 'জ্ঞানপীঠ পুরস্কার' (প্রথম পান মালয়ালম ভাষার লেখক জি. শঙ্কর কুরুপ)।

পিডিএফ ডাউনলোড

উপরের সম্পূর্ণ তালিকাটি অফলাইনে পড়ার জন্য নিচে দেওয়া লিংক থেকে বিনামূল্যে PDF টি ডাউনলোড করে নাও।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: বিভিন্ন পুরস্কার এবং তার ক্ষেত্র তালিকা জিকে
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 3
  • File Size: 221 KB

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয়?
ভারতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির (Science and Technology) গবেষণায় দারুণ কাজের জন্য শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার দেওয়া হয়। এটি শুরু হয়েছিল ১৯৫৮ সালে।
কলিঙ্গ পুরস্কার কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হয়?
সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার স্বীকৃতি হিসেবে কলিঙ্গ পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৫২ সালে ইউনেস্কো (UNESCO) এটি দেওয়া শুরু করে।
পুলিৎজার পুরস্কার কিসের সাথে যুক্ত?
পুলিৎজার পুরস্কার (Pulitzer Prize) মূলত সাংবাদিকতা (Journalism), সাহিত্য এবং সঙ্গীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দেওয়া হয়। এটি ১৯১৭ সালে শুরু হয়েছিল।
খেলাধুলার কোচ বা প্রশিক্ষকদের কোন পুরস্কার দেওয়া হয়?
খেলাধুলার ক্ষেত্রে দারুণ কোচিং বা ট্রেনিং দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষকদের 'দ্রোণাচার্য পুরস্কার' দেওয়া হয়। এটি ১৯৮৫ সালে দেওয়া শুরু হয়েছিল।
এশিয়ার নোবেল পুরস্কার কাকে বলা হয়?
ফিলিপিন্সের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির নামে দেওয়া 'রামন ম্যাগসেসে' (Ramon Magsaysay) পুরস্কারকে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার বলা হয়। এটি জনসেবা, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার জন্য দেওয়া হয়।

💡 চাকরির পরীক্ষার স্ট্যাটিক জিকে (Static GK)-এর এই দরকারি নোটসটি তোমাদের উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলো না। কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে আড্ডায় যোগ দাও!

বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬

ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ সিলেবাস ২০২৬ PDF | WBPSC Clerkship Syllabus in Bengali

ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ সিলেবাস ২০২৬ PDF | WBPSC Clerkship Syllabus in Bengali

WBPSC Clerkship Syllabus 2026 PDF in Bengali | Exam Pattern
সরকারি চাকরি: ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ ২০২৬ পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্যাটার্ন ও সিলেবাস

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

যাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (WBPSC) ক্লার্কশিপ পরীক্ষার (বিজ্ঞপ্তি নং: 12/2024) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো পরীক্ষার সিলেবাসটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা। এই পরীক্ষাটি মূলত দুটি ধাপে হয়: পার্ট-১ (অবজেক্টিভ টাইপ) এবং পার্ট-২ (ডেসক্রিপটিভ বা বর্ণনামূলক)। কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকে, পরীক্ষার সময়সীমা কত এবং ঠিক কী কী টপিক পড়তে হবে— তার একদম নির্ভুল ও অফিসিয়াল তথ্য বাংলা ভাষায় নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো। সাথে আপনাদের রিভিশনের সুবিধার্থে অফিসিয়াল Clerkship Scheme & Syllabus PDF ফাইলটিও ডাউনলোডের জন্য দেওয়া থাকছে!

ভূমিকা

Hello Aspirants,

যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সফল হওয়ার প্রথম ধাপ হলো সেই পরীক্ষার সিলেবাসটিকে খুঁটিয়ে পড়া। অনেকেই না বুঝে এমন অনেক টপিক পড়ে ফেলেন, যেগুলো সিলেবাসেই নেই! তাই আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ সিলেবাস ২০২৬ (WBPSC Clerkship Syllabus 2026)-এর সম্পূর্ণ ও নির্ভুল গাইডলাইন নিচে খুব সুন্দরভাবে সাজানো হলো।

এখানে ইংরেজি, পাটিগণিত এবং জেনারেল স্টাডিজের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বইয়ের পাতা বা ইংরেজি নোটিফিকেশনের খটমটে ভাষা বাদ দিয়ে, চলুন খুব সহজে ছকের সাহায্যে পরীক্ষার প্যাটার্ন ও সিলেবাসটি একনজরে দেখে নিই।

পরীক্ষার প্যাটার্ন (Exam Pattern)

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ক্লার্কশিপ পরীক্ষাটি প্রধানত দুটি পার্টে বিভক্ত: পার্ট-১ এবং পার্ট-২। নিচে দুটি পার্টের নম্বর বিভাজন দেওয়া হলো:

১. Part-I পরীক্ষা (Objective Type):

পার্ট-১ হলো ১০০ নম্বরের একটি এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষা, যেখানে প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর।

বিষয় (Subjects) নম্বর (Marks) সময়সীমা (Duration)
ইংরেজি (English) ৩০ নম্বর ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
(৯০ মিনিট)
সাধারণ জ্ঞান (General Studies) ৪০ নম্বর
পাটিগণিত (Arithmetic) ৩০ নম্বর
মোট (Total) ১০০ প্রশ্ন, ১০০ নম্বর

২. Part-II পরীক্ষা (Conventional/Written Type):

পার্ট-২ হলো ডেসক্রিপটিভ বা বর্ণনামূলক পরীক্ষা। এখানে মোট ১০০ নম্বর থাকে এবং সময় দেওয়া হয় ১ ঘণ্টা।

গ্রুপ (Groups) নম্বর (Marks) সময়সীমা (Duration)
Group-A: English ৫০ নম্বর ১ ঘণ্টা (৬০ মিনিট)
Group-B: Bengali / Hindi / Urdu / Nepali / Santali ৫০ নম্বর

ক্লার্কশিপ পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস (Syllabus)

এবার বিস্তারিতভাবে দেখে নেওয়া যাক Part-I এবং Part-II পরীক্ষায় ঠিক কোন কোন টপিক বা অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসবে। বিষয়ভিত্তিক সিলেবাসটি নিচে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেওয়া হলো:

পুরো পরীক্ষাটিই পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের 'মাধ্যমিক পরীক্ষার' মানের (Madhyamik Standard) হবে!

Part - I (Objective Type) সিলেবাস

১. English (ইংরেজি):

ইংরেজি বিষয়ে মূলত বেসিক গ্রামার এবং ভোকাবুলারির ওপর জোর দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে— Fundamentals of the English language, Vocabulary (শব্দভাণ্ডার), Grammar (ব্যাকরণ), Sentence structure (বাক্য গঠন), Synonyms (সমার্থক শব্দ), Antonyms (বিপরীত শব্দ) এবং Correct usage ইত্যাদি।

২. General Studies (সাধারণ জ্ঞান):

সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে ভালোভাবে পড়তে হবে তা হলো— Matters of everyday observation, Everyday science (দৈনন্দিন বিজ্ঞান), Current events and problems with special reference to India (ভারতের বিশেষ উল্লেখসহ বর্তমান ঘটনাবলি ও সমস্যা), ভারতের ইতিহাস (Indian History) এবং ভারতের ভূগোল (Indian Geography) সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান।

৩. Arithmetic (পাটিগণিত):

পাটিগণিতের সিলেবাসটি পুরোটাই মাধ্যমিক স্তরের। যে অধ্যায়গুলো করতে হবে— Divisibility (বিভাজ্যতা), Fractions (ভগ্নাংশ), Decimals & Recurring decimals (দশমিক ও আবৃত্ত দশমিক), Simplification (সরলীকরণ), HCF & LCM (লসাগু ও গসাগু), Partnership (অংশীদারি কারবার), Average (গড়), Ratio & proportions (অনুপাত-সমানুপাত), Percentage (শতকরা), Simple interest (সরল সুদ), Profit & loss (লাভ-ক্ষতি), Time & distance (সময় ও দূরত্ব), Area of rectangles and squares (আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল)।

Part - II (Conventional Type) সিলেবাস

Group-A (English):
  • Report Writing: Drafting of a report in English from points or materials supplied (দেওয়া তথ্য বা পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে ইংরেজিতে রিপোর্ট লেখা)।
  • Summary/Precis: Condensing of a prose passage (একটি ইংরেজি গদ্যাংশ পড়ে তার সারাংশ বা সারমর্ম তৈরি করা)।
  • Translation: বাংলা/হিন্দি/উর্দু/নেপালি/সাঁওতালি ভাষা থেকে সম্পূর্ণ ইংরেজিতে অনুবাদ করা।
Group-B (বাংলা / অন্যান্য ভাষা):
  • প্রতিবেদন রচনা (Report Writing): প্রশ্নপত্রে দেওয়া তথ্য বা পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে নিজের ভাষায় একটি সুন্দর প্রতিবেদন রচনা করা।
  • সারাংশ (Summary/Precis): একটি গদ্যাংশকে ছোট করে তার মূল ভাব বা সারমর্ম লেখা।
  • অনুবাদ (Translation): ইংরেজি প্যাসেজ থেকে বাংলা (বা নিজের মাতৃভাষায়) সাবলীল অনুবাদ করা।

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • প্রশ্নপত্রের মান: এই পরীক্ষার সমস্ত প্রশ্নের মান পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার সমতুল্য হবে (Madhyamik Examination Standard)।
  • কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট: শুধুমাত্র Part-I এবং Part-II পরীক্ষায় কোয়ালিফাই (Qualify) করলেই প্রার্থীদের বেসিক কম্পিউটার অপারেশন এবং কম্পিউটার টাইপিং টেস্টের জন্য ডাকা হবে।
  • রিপোর্ট রাইটিং: Part-II ডেসক্রিপটিভ পেপারে রিপোর্ট লেখার ক্ষেত্রে প্রশ্নপত্রে কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টস বা মেটেরিয়াল (points or materials) দেওয়া থাকবে, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করেই রিপোর্ট লিখতে হবে।
পিএসসি ক্লার্কশিপ ২০২৪ পরীক্ষার অফিসিয়াল সিলেবাসের পিডিএফটি নিচে দেওয়া হলো, যাতে আপনারা অফলাইনে বা প্রিন্ট করেও সিলেবাস মিলিয়ে পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

ফাইল ডিটেইলস

File Details:

  • File Name: Clerkship2024-SchemeSyllabus.pdf
  • File Format: PDF
  • Department: Public Service Commission, West Bengal
  • Language: English

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

WBPSC ক্লার্কশিপের Part-I পরীক্ষায় মোট কত নম্বর থাকে?
Part-I পরীক্ষায় মোট ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকে, যার মোট মান ১০০ নম্বর (ইংরেজি ৩০, জিকে ৪০ এবং পাটিগণিত ৩০) এবং সময় থাকে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট。
Part-II পরীক্ষায় কি ডেসক্রিপটিভ (বর্ণনামূলক) প্রশ্ন হয়?
হ্যাঁ, Part-II হলো একটি ১০০ নম্বরের ডেসক্রিপটিভ পরীক্ষা। এতে Group-A (ইংরেজি) এবং Group-B (বাংলা বা অন্যান্য ভাষা) থাকে, যার প্রত্যেকটিতে ৫০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকে。
ক্লার্কশিপ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান কেমন হয়?
এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Examination) সমতুল্য হয়。
এই পরীক্ষার জন্য কি কম্পিউটার টাইপিং জানা বাধ্যতামূলক?
হ্যাঁ, Part-I এবং Part-II পরীক্ষায় পাস করার পর প্রার্থীদের বেসিক কম্পিউটার অপারেশন এবং কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট দিতে হয়。

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৬, ২০২৬

ক্লার্কশিপ বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF | WBPSC Clerkship Prelims & Mains Question Papers

WBPSC ক্লার্কশিপ বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF | প্রিলি ও মেইনস

Download WBPSC Clerkship Previous Year Question Papers PDF for Prelims and Mains (2006-2024)
পরীক্ষার প্রস্তুতি: পিএসসি ক্লার্কশিপ (২০০৬-২০২৪) প্রিলিমিনারি ও মেইনস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র

📌 একনজরে সারসংক্ষেপ:

পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) আয়োজিত ক্লার্কশিপ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাজিমাত করার প্রধান শর্ত হলো বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (WBPSC Clerkship Previous Year Question Paper) খুব ভালোভাবে এনালাইসিস করা। পরীক্ষায় ঠিক কী ধরনের প্রশ্ন আসে, বা ডেসক্রিপটিভ পেপারে কী লিখতে দেয়— এগুলো বুঝতে আগের বছরের প্রশ্নগুলো দেখা অত্যন্ত জরুরি। আপনাদের সুবিধার্থে ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি (Prelims) এবং মেইনস (Mains) পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রগুলো বিনামূল্যে PDF ফরম্যাটে নিচে দেওয়া হলো।

ভূমিকা

Hello Aspirants,

পিএসসি ক্লার্কশিপ (PSC Clerkship) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি বেরোলেই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একটা আলাদা উন্মাদনা দেখা যায়। কারণ শুধুমাত্র মাধ্যমিক পাসে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি পাওয়ার এটি একটি দারুণ সুযোগ। তবে মনে রাখবেন, এই পরীক্ষায় কম্পিটিশন প্রচুর!

অন্যদের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকতে গেলে PSC ঠিক কীরকম প্রশ্ন করে, সেটা সবার আগে জানা দরকার। বাজারে অনেক প্র্যাকটিস সেট পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু আসল প্রশ্নের মান বুঝতে গেলে আগের বছরগুলোতে হয়ে যাওয়া Clerkship Prelims & Mains Question Papers PDF সলভ করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (PYQ) দেখা আসলে কেন জরুরি?

বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বা PYQ (Previous Year Questions) সলভ করার প্রধান কারণ হলো— এটি আপনাকে পরীক্ষার আসল আয়না দেখায়। প্রিলিমিনারিতে জিকে (GK), অঙ্ক (Math) এবং ইংরেজি (English) থেকে কোন টপিকগুলোতে বেশি জোর দেওয়া হয়, বা পার্ট-২ (Mains) পরীক্ষায় রিপোর্ট রাইটিং ও প্রেসি লেখার মান কেমন হওয়া উচিত— সেটা আগের বছরের প্রশ্নগুলো দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যায়। এছাড়া পরীক্ষার হলে টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখতেও এর কোনো বিকল্প নেই।

সাল অনুযায়ী বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (২০০৬-২০২৪) PDF

নিচে ডব্লিউবিপিএসসি ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি (Part-I) এবং মেইনস (Part-II) পরীক্ষার বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্রের গুগল ড্রাইভ ডাউনলোড লিংক সাল অনুযায়ী (Year-wise) পরপর দেওয়া হলো। আপনার প্রয়োজনীয় বাটনে ক্লিক করে সরাসরি PDF গুলি সংগ্রহ করে নিন:

কালার কোড: নীল রঙের বাটনগুলো প্রিলিমস (Prelims) এবং লাল রঙের বাটনগুলো মেইনস (Mains) প্রশ্নপত্রের জন্য দেওয়া হয়েছে।

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০০৬-২০০৯ ও ২০০৭ (Old Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০১৫ (2015 Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০১৯ (2019 Papers)

ক্লার্কশিপ প্রশ্নপত্র - ২০২৪ (2024 Papers)

পরীক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল টিপস (VIP Facts):

  • পার্ট-১ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার প্যাটার্ন: প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি ১০০ নম্বরের হয়। এখানে মূলত তিনটি বিষয় থাকে— সাধারণ জ্ঞান বা জিকে (৪০ নম্বর), পাটিগণিত (৩০ নম্বর) এবং ইংরেজি (৩০ নম্বর)। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১।
  • নেগেটিভ মার্কিং: হ্যাঁ, পার্ট-১ পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকে (সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যায়)। তাই আন্দাজে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।
  • পার্ট-২ (মেইনস) পরীক্ষার প্যাটার্ন: এটি একটি ডেসক্রিপটিভ (Descriptive) বা বর্ণনামূলক পরীক্ষা। গ্রুপ এ-তে ইংরেজি (৫০ নম্বর) এবং গ্রুপ বি-তে বাংলা/নেপালি/হিন্দি/উর্দু (৫০ নম্বর) লিখতে হয়। এখানে রিপোর্ট রাইটিং, প্রেসি ও ট্রান্সলেশন থাকে।
  • কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট: পার্ট-১ ও পার্ট-২ পাস করার পর প্রার্থীদের কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট দিতে হয়। এখানে স্পিড লাগে ইংরেজিতে ২০টি শব্দ/মিনিট অথবা বাংলায় ১০টি শব্দ/মিনিট।
  • PYQ-এর জাদুকরী ক্ষমতা: পিএসসি-র বিভিন্ন পরীক্ষায় (যেমন- মিসলেনিয়াস, ফুড এসআই, ডব্লিউবিসিএস) আগের বছরের জিকে (GK) প্রশ্ন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে রিপিট হতে দেখা যায়। তাই এই প্রশ্নগুলো সলভ করা আবশ্যিক।
উপরের ডাউনলোড বাটনগুলো থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করার পাশাপাশি, নতুন প্রার্থীদের সুবিধার্থে নিচে ক্লার্কশিপ পরীক্ষার অফিসিয়াল সিলেবাসের PDFটি দেওয়া হলো।

ফাইল ডিটেইলস

Syllabus File Details:

  • File Name: WBPSC Clerkship Detailed Syllabus & Exam Pattern
  • File Format: PDF
  • Language: Bengali & English
  • Type: Official Reference

সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষায় নির্বাচন পদ্ধতি (Selection Process) কীরকম হয়?
এই পরীক্ষায় মূলত তিনটি ধাপ থাকে। প্রথমে পার্ট-১ বা অবজেক্টিভ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এটি পাস করলে পার্ট-২ বা ডেসক্রিপটিভ মেইনস পরীক্ষা দিতে হয়। এরপর শেষে হয় কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট।
ক্লার্কশিপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে কি নেগেটিভ মার্কিং থাকে?
হ্যাঁ, পার্ট-১ বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকে। সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
পার্ট-২ (Mains) পরীক্ষাতে কী ধরনের প্রশ্ন আসে?
পার্ট-২ হলো ডেসক্রিপটিভ পরীক্ষা। এখানে ইংরেজি এবং বাংলা (বা অন্যান্য ভাষা) ভাষায় একটি করে খসড়া প্রতিবেদন (Report), সারাংশ (Precis) এবং অনুবাদ (Translation) লিখতে দেওয়া হয়।
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র (PYQ) সলভ করা কেন এতটা জরুরি?
বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সলভ করলে পরীক্ষার প্যাটার্ন, প্রশ্নের কাঠিন্য স্তর এবং পিএসসি-র প্রিয় টপিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া পরীক্ষার হলে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতেও এটি খুব সাহায্য করে।
ক্লার্কশিপের কম্পিউটার টাইপিং টেস্টের জন্য কত স্পিড প্রয়োজন?
কম্পিউটার টাইপিং টেস্টের জন্য ইংরেজিতে মিনিটে অন্তত ২০টি শব্দ (20 WPM) অথবা বাংলায় মিনিটে অন্তত ১০টি শব্দ (10 WPM) টাইপ করার স্পিড থাকতে হয়।

💡 WBPSC ক্লার্কশিপ পরীক্ষার এই বিগত বছরের প্রশ্নপত্রগুলো (PYQ) আপনার প্রস্তুতিতে সাহায্য করলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কোনো বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান!