Breaking

Friday, August 14, 2026

Friday, August 14, 2026

ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্লোগান তালিকা PDF | Slogans of Indian Freedom Fighters

ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্লোগান ও উক্তি তালিকা PDF

ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্লোগান তালিকা ও উক্তি PDF
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিখ্যাত স্লোগান ও বাণী

নমস্কার পরীক্ষার্থীরা, সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় লেখা (Bengali Language) এই বিশেষ স্টাডি মেটেরিয়ালে আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্লোগান তালিকা PDF (Famous Indian Personalities Slogans in Bengali)। যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষা যেমন— WBCS, WBPSC Miscellaneous, SSC, Railway, Primary TET বা WBP (Police) পরীক্ষায় ইতিহাস ও সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge) অংশ থেকে 'কে কোন স্লোগান দিয়েছেন?' বা 'বিখ্যাত উক্তি ও প্রবক্তা' সম্পর্কিত ১-২টি প্রশ্ন প্রায়শই এসে থাকে।

আপনারা যারা ইন্টারনেটে 'ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্লোগান', 'মহাপুরুষদের বাণী', বা 'famous slogans of indian freedom fighters in bengali' লিখে সার্চ করে থাকেন, তাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে নিচে কে কী বলেছিলেন তার একটি সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো। এই তালিকাটি মন দিয়ে পড়লে পরীক্ষায় আসা 'জয় জওয়ান জয় কিষান শ্লোগানটি কার?' বা 'গরিবি হটাও স্লোগানটি কে দিয়েছিলেন?'-এর মতো প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই দিতে পারবেন। পোস্টের শেষে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি PDF ডাউনলোডের লিংকও যুক্ত করা হয়েছে।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের স্লোগান ও উক্তি তালিকা

ব্যক্তির নাম বিখ্যাত স্লোগান / উক্তি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব, জয়হিন্দ, দিল্লি চলো
মহাত্মা গান্ধী করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে, ভারত ছাড়ো (Quit India)
ভগত সিং
(মূল রচয়িতা: হসরত মোহানি)
ইনকিলাব জিন্দাবাদ, সাম্রাজ্যবাদ কা নাশ হো
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী জয় জওয়ান জয় কিষান
রাজীব গান্ধী মেরে ভারত মহান হ্যায়
রামপ্রসাদ বিসমিল
(মূল রচয়িতা: বিসমিল আজিমাবাদী)
সরফরোশি কি তামান্না অব হামারে দিল মে হ্যায়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জনগণমন অধিনায়ক জয় হে
মহঃ ইকবাল সারে জাঁহা সে আচ্ছা
অটল বিহারী বাজপেয়ী জয় জওয়ান জয় কিষান জয় বিজ্ঞান
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বন্দে মাতরম
বাল গঙ্গাধর তিলক স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার
জওহরলাল নেহেরু পূর্ণ স্বরাজ, আরাম হারাম হ্যায়
বিনোবা ভাবে জয় জগত
মঙ্গল পাণ্ডে মারো ফিরিঙ্গি কো
সঞ্জয় গান্ধী কাম অধিক বাতেঁ কম
মুরলী মনোহর জোশি কাশ্মীর চলো
পি.ভি. নরসিংহ রাও দেশ বাঁচাও, দেশ বানাও
বল্লভভাই প্যাটেল কর মাত দো
ইন্দিরা গান্ধী গরিবি হটাও
জয়প্রকাশ নারায়ণ সম্পূর্ণ ক্রান্তি
লালা লাজপত রাই
(মূল রচয়িতা: ইউসুফ মেহের আলী)
সাইমন গো ব্যাক (সাইমন কমিশন ফিরে যাও) / আমার শরীরের ওপর পড়া প্রতিটি লাঠির ঘা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কফিনে শেষ পেরেক হবে
প্রতাপ নারায়ণ মিশ্র হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তান
দয়ানন্দ সরস্বতী বেদো কি ওর লোটো (বেদের দিকে ফিরে চলো)
মদনমোহন মালব্য
(উৎস: মুণ্ডক উপনিষদ)
সত্যমেব জয়তে
বি. আর. আম্বেদকর শিক্ষিত হও, সংগঠিত হও, আন্দোলন করো
স্বামী বিবেকানন্দ ওঠো, জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না
চন্দ্রশেখর আজাদ দুশমন কি গোলিয়োঁ কা হম সামনা করেঙ্গে, আজাদ হি রহেঁ হ্যায়, আজাদ হি রহেঙ্গে
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ শিক্ষা অপেক্ষা করতে পারে, কিন্তু স্বরাজ নয়
শ্যামলাল গুপ্ত 'পার্ষদ' বিজয়ী বিশ্ব তেরঙ্গা প্যারা
💡 বিশেষ দ্রষ্টব্য (Note): পরীক্ষার অপশনে সাধারণত যাঁদের নামে স্লোগানগুলি জনপ্রিয় তাঁদের নামই থাকে (যেমন: ভগত সিং)। তবে ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী উপরের তালিকায় ব্র্যাকেটে আসল রচয়িতাদের নাম যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।

📥 PDF Download Details

নিচের লিংক থেকে আপনারা খুব সহজেই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্লোগান PDF (Famous Quotes in Bengali PDF) ফাইলটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

  • File Name: বিখ্যাত ভারতীয়দের স্লোগান ও বাণী
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 2
  • File Size: 192 KB
  • Language: Bengali (বাংলা)

📌 গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: 'করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে' স্লোগানটি কে দিয়েছিলেন?
উত্তর: ১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় এই বিখ্যাত স্লোগানটি দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী।

প্রশ্ন ২: 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগানটির মূল রচয়িতা কে?
উত্তর: এই স্লোগানটি মূলত প্রখ্যাত উর্দু কবি হসরত মোহানি ১৯২১ সালে রচনা করেছিলেন, পরে শহীদ ভগত সিং এটি সারা ভারতে জনপ্রিয় করেন।

প্রশ্ন ৩: স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্লোগান ও উক্তি চাকরির পরীক্ষার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ডব্লিউবিসিএস (WBCS), পিএসসি (WBPSC), রেল বা পুলিশের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি ও প্রবক্তা' থেকে সরাসরি প্রশ্ন আসে। তাই এই স্লোগান তালিকাটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

Friday, August 14, 2026

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তালিকা 2026 PDF | West Bengal Cabinet Ministers List 2026 in Bengali

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রী তালিকা ২০২৬ (West Bengal Cabinet Ministers 2026)

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের তালিকা ২০২৬ PDF - West Bengal Cabinet Ministers List Bengali
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা 2026 PDF

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই নতুন সরকার গঠনের ফলে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা ২০২৬ (West Bengal Cabinet 2026)-এ ব্যাপক রদবদল ঘটেছে।

আপনি যদি আগামী দিনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেমন WBPSC Miscellaneous, WBCS, Primary TET, WBP বা Clerkship-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে রাজ্য সরকারের নতুন মন্ত্রীদের নাম ও দপ্তর (New Ministers Name and Portfolio) সম্পর্কে আপডেট থাকা অত্যন্ত জরুরি। যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০২৬ (Current Affairs 2026) সেকশন থেকে এই বিষয়ে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা প্রবল।

সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় প্রস্তুত করা এই আর্টিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের একটি বিস্তারিত তালিকা (WB Minister List 2026 PDF in Bengali) দেওয়া হলো। নিচে থেকে আপনি খুব সহজেই "পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তালিকা 2026 PDF" সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

ক্যাবিনেট মন্ত্রী (Cabinet Ministers)

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের নামের তালিকা ও দপ্তর
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর
শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী: স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর; ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর; বিদ্যুৎ দপ্তর; তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর; কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর এবং অন্য কোনো মন্ত্রীকে বরাদ্দ না করা অন্যান্য দপ্তরসমূহ।
শ্রী নিশীথ প্রামাণিক উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর।
শ্রী অশোক কীর্তনীয়া খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং সমবায় দপ্তর।
শ্রী দিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর এবং কৃষি বিপণন দপ্তর।
শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসী উন্নয়ন এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
শ্রীমতি অগ্নিমিত্রা পাল নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
শ্রী দীপক বর্মন বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর, আবাসন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র দপ্তর।
শ্রী তাপস রায় শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দপ্তর এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
ডঃ শঙ্কর ঘোষ সংসদ বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১০ শ্রী মনোজ কুমার ওঁরাও বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১১ শ্রী অর্জুন সিং শ্রম দপ্তর এবং পরিবহণ দপ্তর।
১২ শ্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষ অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর এবং জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর।
১৩ শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
১৪ শ্রী স্বপন দাশগুপ্ত অর্থ দপ্তর।
১৫ ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দপ্তর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি দপ্তর এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর।
১৬ ডঃ শারদ্বত মুখার্জী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।
১৭ শ্রী অরূপ কুমার দাস সেচ ও জলপথ দপ্তর।
১৮ ডঃ অজয় কুমার পোদ্দার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং পূর্ত দপ্তর।
১৯ শ্রী দুধ কুমার মণ্ডল কৃষি দপ্তর।

প্রতিমন্ত্রী - স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত (Ministers of State - Independent Charge)

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের নামের তালিকা
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর
শ্রীমতি মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর এবং প্রকল্প রূপায়ণ পর্যবেক্ষণ দপ্তর।
শ্রী রাজেশ মাহাতো প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং মৎস্য দপ্তর।
ডঃ ইন্দ্রনীল খান যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর।

প্রতিমন্ত্রী (Ministers of State)

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের প্রতিমন্ত্রীদের নামের তালিকা
ক্র. নং মন্ত্রীর নাম দপ্তর
শ্রী জুয়েল মুর্মু আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর এবং সেচ ও জলপথ দপ্তর।
ডঃ হরেকৃষ্ণ বেরা উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর।
শ্রী আনন্দময় বর্মন পরিবহণ দপ্তর এবং অর্থ দপ্তর।
শ্রী অশোক দিন্দা কৃষি বিপণন দপ্তর এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র দপ্তর।
শ্রী নদীয়ার চাঁদ বাউড়ি পূর্ত দপ্তর এবং অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর।
শ্রী বিশাল লামা স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর।
শ্রী শান্তনু প্রামাণিক খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর।
শ্রীমতি মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দপ্তর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি দপ্তর।
শ্রী উমেশ রাই সংসদ বিষয়ক দপ্তর, নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তর।
১০ শ্রীমতি পূর্ণিমা চক্রবর্তী তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তর এবং পর্যটন দপ্তর।
১১ শ্রী কৌশিক চৌধুরী বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর।
১২ শ্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর এবং শ্রম দপ্তর।
১৩ শ্রী দিবাকর ঘরামী সমবায় দপ্তর, বন দপ্তর এবং পরিবেশ দপ্তর।
১৪ শ্রী অমিয় কিস্কু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর এবং কৃষি দপ্তর।
১৫ শ্রীমতি কলিতা মাজি আবাসন দপ্তর।
১৬ শ্রীমতি গার্গী দাস ঘোষ বিদ্যুৎ দপ্তর এবং অপ্রচলিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎস দপ্তর।
১৭ অ্যাডভোকেট বিরাজ বিশ্বাস আইন দপ্তর, বিচার বিভাগীয় দপ্তর এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর।
১৮ শ্রী দীপঙ্কর জানা ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর এবং সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর।
১৯ শ্রীমতি সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (People Also Ask)

১. ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে?

২০২৬ সালের নতুন মন্ত্রিসভা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হলেন শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।

২. পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী কে ২০২৬?

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বিদ্যালয় শিক্ষা মন্ত্রী হলেন শ্রী দীপক বর্মন এবং উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

৩. পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অর্থমন্ত্রী কে?

নতুন রাজ্য মন্ত্রিসভায় পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শ্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

৪. পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে?

বর্তমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন ডঃ শারদ্বত মুখার্জী।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রীদের তালিকা ২০২৬

ফাইল সাইজ: 1.51 MB | ফরম্যাট: PDF | ক্যাটাগরি: Current Affairs

📥 Download PDF

Disclaimer: এই পেজে দেওয়া পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীদের তালিকাটি (২০২৬) বিভিন্ন বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল এবং সরকারি তথ্যভাণ্ডার থেকে সংগৃহীত। মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন হলে আমরা এই পেজটি আপডেট করার চেষ্টা করব। তবে যেকোনো সরকারি কাজের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট যাচাই করার অনুরোধ রইল।

তথ্যসূত্র: আরও বিস্তারিত সরকারি আপডেটের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল দেখতে পারেন।

Thursday, August 13, 2026

Thursday, August 13, 2026

গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF | WB Gram Panchayat Question Paper PDF

WB Gram Panchayat Previous Year Question Paper PDF: পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র ডাউনলোড

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র PDF ডাউনলোড
পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার বিগত বছরের প্রশ্নপত্র

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের অধীনে গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগ পরীক্ষা (WB Gram Panchayat Recruitment) চাকরিপ্রার্থীদের কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হয়। এই পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সঠিক প্রস্তুতি এবং প্রচুর অনুশীলনের প্রয়োজন। আর এই প্রস্তুতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র (Previous Year Question Papers) এবং মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Papers)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আপনারা অনেকেই নতুন বছরের প্রশ্নপত্র খোঁজেন। কিন্তু মনে রাখবেন, পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী নিয়োগের সর্বশেষ বড় পরীক্ষাটি ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাই আগত পরীক্ষার সঠিক ধারণা পেতে ২০১৮ সালের আসল প্রশ্নপত্রগুলোই সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব কেন এই প্রশ্নপত্রগুলি আপনার প্রস্তুতির জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে আপনি সহজেই পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগের প্রশ্নপত্র PDF (WB Panchayat Previous Year Question Paper PDF) বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন।

পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রশ্ন কাঠামো একনজরে

প্রশ্নপত্র সমাধানের আগে পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগ পরীক্ষায় সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর প্রশ্ন আসে:

WB Gram Panchayat Exam Syllabus Overview
বিষয় (Subject) প্রশ্নের ধরন ও স্তর
বাংলা (Bengali) ব্যাকরণ, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, শুদ্ধ বানান
ইংরেজি (English) Basic Grammar, Vocabulary, Fill in the blanks
গণিত (Mathematics) পাটিগণিত (মূলত অষ্টম/দশম শ্রেণীর মানের)
সাধারণ জ্ঞান (GK) ইতিহাস, ভূগোল, পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, চলতি ঘটনাবলী

কেন বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করবেন?

পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শুধুমাত্র বই পড়াই যথেষ্ট নয়। প্রশ্নপত্র সমাধান করলে আপনি বেশ কয়েকটি সুবিধা পাবেন:

  • প্রশ্নের ধরন বোঝা: পরীক্ষায় ঠিক কী ধরনের প্রশ্ন আসে, তার একটি পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়।
  • সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management): নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে।
  • দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: কোন বিষয়ে আপনার আরও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন তা বুঝতে পারবেন।
  • গুরুত্বপূর্ণ টপিক: বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় কিছু নির্দিষ্ট টপিক থেকে বারবার প্রশ্ন আসে।

গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়োগের প্রশ্নপত্র PDF ডাউনলোড করুন (2018)

২০১৮

পঞ্চায়েত কর্মী নিয়োগ প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬৬৪ KB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত সহায়ক প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬.৫৪ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত নির্মান সহায়ক প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৫.৬৭ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত সেক্রেটারী প্রশ্নপত্র

ফাইল সাইজ: ৬.১৪ MB
ডাউনলোড
২০১৮

পঞ্চায়েত একজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট

ফাইল সাইজ: ৬.৭৪ MB
ডাউনলোড

সাধারণ জিজ্ঞাস্য (FAQs)

১. গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস কী?

সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান (GK) থেকে প্রশ্ন আসে। পদের ওপর ভিত্তি করে সিলেবাসের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।

২. এই প্রশ্নপত্রগুলো কি পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে আছে?

হ্যাঁ, প্রতিটি পদের প্রশ্নপত্র আলাদাভাবে গুগল ড্রাইভের (Google Drive) মাধ্যমে PDF ফরম্যাটে দেওয়া হয়েছে, যা খুব সহজেই ডাউনলোড করা যায়।

৩. সর্বশেষ কবে পঞ্চায়েত পরীক্ষা হয়েছিল?

পশ্চিমবঙ্গে গ্রাম পঞ্চায়েতের সর্বশেষ বড় পরীক্ষাটি ২০১৮ সালে সম্পন্ন হয়েছিল। তাই এই পেপারগুলো প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উপসংহার: আশা করি উপরের WB Gram Panchayat Previous Year Question Paper PDF গুলি আপনার আসন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে দারুণভাবে সাহায্য করবে। ডাউনলোড করতে কোনো সমস্যা হলে বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের স্টাডি মেটেরিয়াল প্রয়োজন হলে নিচে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। আমরা দ্রুত আপডেট করার চেষ্টা করব।

আরো দেখুন
পঞ্চায়েত পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস PDF বিস্তারিত জানুন
Thursday, August 13, 2026

গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF | WB Gram Panchayat Syllabus Bengali PDF

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF ও পরীক্ষার প্যাটার্ন ২০২৬ (WB Gram Panchayat Syllabus)

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস PDF ও পরীক্ষার প্যাটার্ন ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (২০২৬)

পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের (WBPRD) অধীনে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী, সহায়ক, নির্মাণ সহায়ক এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ইত্যাদি পদে নিয়োগ রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের কাছে একটি বড় সুযোগ। যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ হলো সেই পরীক্ষার সিলেবাস (WB Panchayat Exam Syllabus) এবং নম্বর বিভাজন বা প্যাটার্ন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা রাখা।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা WB Gram Panchayat Exam Pattern 2026 এবং প্রতিটি পদের বিস্তারিত সিলেবাস নিয়ে আলোচনা করেছি। এই পেজ থেকে আপনারা গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের সমস্ত পদের অফিশিয়াল সিলেবাসের PDF খুব সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষার প্যাটার্ন (WB Panchayat Exam Pattern)

পঞ্চায়েত কর্মী ও সহায়ক পদের ক্ষেত্রে সাধারণত ৮৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১৫ নম্বরের ইন্টারভিউ হয়ে থাকে। লিখিত পরীক্ষায় মূলত নিচের বিষয়গুলি থেকে প্রশ্ন আসে:

সারণী: পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত লিখিত পরীক্ষার নম্বর বিভাজন ২০২৬
বিষয়ের নাম (Subjects) মোট প্রশ্ন নম্বর
ইংরেজি (English) ২৫ ২৫
বাংলা (Bengali) ২৫ ২৫
পাটিগণিত (Arithmetic) ২৫ ২৫
সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge) ১০ ১০
মোট লিখিত পরীক্ষা ৮৫ ৮৫

গ্রাম পঞ্চায়েত সিলেবাস PDF

পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬ সালের আপডেটেড অফিশিয়াল সিলেবাস গুলি নিম্নে দেওয়া হলো (পদ অনুযায়ী):

সাধারণ জিজ্ঞাস্য (FAQs)

১. পশ্চিমবঙ্গ গ্রাম পঞ্চায়েত লিখিত পরীক্ষা কত নম্বরের হয়?
সাধারণত গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী এবং সহায়ক পদের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষাটি ৮৫ নম্বরের হয়ে থাকে। এছাড়া ১৫ নম্বরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়।
২. গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষায় কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন আসে?
এই পরীক্ষায় মূলত ইংরেজি, বাংলা, পাটিগণিত এবং সাধারণ জ্ঞান (GK) থেকে প্রশ্ন আসে। উপরের টেবিলে এর বিস্তারিত নম্বর বিভাজন দেওয়া আছে।
৩. পঞ্চায়েত বিগত বছরের প্রশ্নপত্র কোথা থেকে ডাউনলোড করব?
আপনার প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমরা বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের একটি আলাদা পেজ তৈরি করেছি। আপনি নিচে দেওয়া "আরো দেখুন" সেকশনের লিঙ্ক থেকে সহজেই PDF ডাউনলোড করতে পারবেন।
Thursday, August 13, 2026

ভারতের জাতীয় পতাকা জিকে প্রশ্ন উত্তর PDF | Indian National Flag GK in Bengali

ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ জিকে প্রশ্ন ও উত্তর | Indian National Flag GK PDF

ভারতের জাতীয় পতাকা জিকে প্রশ্ন উত্তর PDF
জাতীয় পতাকা জিকে প্রশ্ন উত্তর PDF

নমস্কার বন্ধুরা,

যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, যেমন—WBCS, WBP, KP, SSC, Railway বা Primary TET-এর জন্য 'সাধারণ জ্ঞান' বা GK অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর মধ্যে "ভারতের জাতীয় পতাকা" (Indian National Flag) থেকে প্রায়শই বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্ন এসে থাকে।

পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আজ আমরা ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিকে প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এছাড়া, পোস্টের শেষে এই সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তরগুলির একটি PDF ডাউনলোড লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে, যা আপনারা বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারবেন।

পতাকার তিনটি রং ও চক্রের অন্তর্নিহিত অর্থ

বর্তমান জাতীয় পতাকার রূপকার হলেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। ২২শে জুলাই ১৯৪৭ তারিখে ভারতের গণপরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই নকশাটিকে দেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। আমাদের পতাকাকে তিনটি সমান মাপের অনুভূমিক অংশে ভাগ করা হয়েছে, যার প্রতিটি রঙের বিশেষ অর্থ রয়েছে:

  • গেরুয়া (সবার উপরে): এই রংটি দেশনেতা ও নাগরিকদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ এবং সাহসিকতার বার্তা দেয়। এটি মনে করিয়ে দেয় যে, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে সবসময় দেশের স্বার্থকে রাখতে হবে।
  • সাদা (মাঝখানে): শুভ্র রংটি মূলত শান্তি, সততা এবং সত্যের পথ নির্দেশ করে।
  • সবুজ (সবার নিচে): এই রংটি আমাদের দেশের কৃষিভিত্তিক সমৃদ্ধি, উর্বরতা এবং মাটির প্রতি গভীর বিশ্বাসকে তুলে ধরে।
  • অশোক চক্র: পতাকার ঠিক মাঝখানে থাকা সাদা অংশের ওপর গাঢ় নীল রঙের একটি চক্র থাকে। সারনাথের অশোক স্তম্ভ থেকে অনুপ্রাণিত এই চক্রে ২৪টি স্পোক বা কাঁটা রয়েছে। এটি মূলত ন্যায়বিচার, সমতা ও অবিরাম প্রগতির প্রতীক।

পতাকার বিবর্তনের ঐতিহাসিক যাত্রাপথ

স্বাধীনতা সংগ্রামের আগুন যত তীব্র হয়েছে, পতাকার রূপও ততবার পাল্টেছে। তেরঙ্গার বর্তমান রূপে পৌঁছানোর পেছনের ইতিহাসটি বেশ আকর্ষণীয়:

  1. ভগিনী নিবেদিতার উদ্যোগ (১৯০৪): স্বামী বিবেকানন্দের অনুপ্রেরণায় ভগিনী নিবেদিতা প্রথম একটি পতাকার নকশা তৈরি করেন। লাল-হলুদ রঙের সেই পতাকার কেন্দ্রে ছিল একটি বজ্র ও শ্বেতপদ্ম, আর লেখা ছিল 'বন্দে মাতরম'।
  2. স্বদেশী আন্দোলনের সময় (১৯০৬): হেমচন্দ্র কানুনগো এবং শচীন্দ্র প্রসাদ বসুর তৈরি একটি পতাকা কলকাতার পার্সি বাগান স্কোয়ারে উত্তোলন করা হয়। এতে লাল, হলুদ ও সবুজ রঙের তিনটি ভাগ ছিল।
  3. বিদেশের মাটিতে প্রথম উত্তোলন (১৯০৭): মাদাম ভিকাজী কামা জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে প্রথমবার একটি ভারতীয় পতাকা ওড়ান, যা 'সপ্তর্ষি পতাকা' নামেও পরিচিত ছিল।
  4. হোমরুল আন্দোলন (১৯১৭): বাল গঙ্গাধর তিলক এবং ডঃ অ্যানি বেসান্ত আন্দোলনের সময় একটি নতুন পতাকা ব্যবহার করেন, যার এক কোণে ব্রিটিশদের ইউনিয়ন জ্যাক আঁকা ছিল।
  5. চরকাযুক্ত পতাকা (১৯২১-১৯৩১): ১৯২১ সালে পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া একটি পতাকার নকশা তৈরি করে মহাত্মা গান্ধীকে উপহার দেন। ১৯৩১ সালে জাতীয় কংগ্রেস সেই গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের এবং মাঝখানে চরকা আঁকা পতাকাকেই আনুষ্ঠানিক সম্মতি দেয়।
  6. চূড়ান্ত স্বীকৃতি (১৯৪৭): স্বাধীনতার প্রাক্কালে চরকার স্থান নেয় 'অশোক চক্র' এবং তেরঙ্গা তার বর্তমান রূপ লাভ করে।

আইনি মর্যাদা ও পতাকা বিধি (Flag Code of India)

  • সংবিধানের ৫১এ(ক) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষা করা প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের অন্যতম মৌলিক কর্তব্য। ২০০২ সালের 'ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া' এবং আরও কিছু আইনের মাধ্যমে পতাকা ব্যবহারের বেশ কিছু নিয়ম নির্দিষ্ট করা হয়েছে:
  • অনুপাত: পতাকার সাইজ ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত সবসময় ৩:২ হওয়া বাধ্যতামূলক।
  • উত্তোলনের সময়: আগে কেবল দিনের বেলায় পতাকা ওড়ানোর নিয়ম থাকলেও, এখন সঠিক মর্যাদা বজায় রেখে সাধারণ মানুষ দিন-রাত সবসময় খোলা জায়গায় তেরঙ্গা ওড়াতে পারেন।
  • অবমাননা রোধ: পতাকাকে কোনো অবস্থাতেই মেঝে বা জলে স্পর্শ করানো যাবে না। একে সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবে বা পোশাক হিসেবে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  • নিষ্কাশন: যদি কোনো কারণে পতাকা ছিঁড়ে যায় বা রং নষ্ট হয়ে যায়, তবে তাকে যত্রতত্র ফেলে দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন পরিস্থিতিতে সবার আড়ালে সম্পূর্ণ সম্মানের সাথে সেটিকে পুড়িয়ে নষ্ট করার নিয়ম রয়েছে।
⚠️ ২০২২ সালের সংশোধিত ভারতের পতাকা বিধির সারসংক্ষেপ:

১. দিন-রাত পতাকা উত্তোলন: এখন থেকে সাধারণ নাগরিকরা তাঁদের বাড়িতে বা খোলা জায়গায় দিন ও রাত (২৪ ঘণ্টা) সবসময় জাতীয় পতাকা উড়িয়ে রাখতে পারবেন।

২. পলিয়েস্টার ও মেশিনে তৈরি পতাকা: সংশোধিত নিয়মে পলিয়েস্টার কাপড়ে এবং মেশিনে তৈরি জাতীয় পতাকাও সম্পূর্ণ বৈধভাবে ব্যবহার করা যাবে।

৩. মর্যাদা অটুট রাখা: নিয়ম শিথিল হলেও পতাকার সম্মান রক্ষার নিয়মগুলি অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ, ছেঁড়া বা নোংরা পতাকা ওড়ানো আগের মতোই সম্পূর্ণ বেআইনি।

ভারতের জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত ২৭টি সহজ জিকে প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন বা নকশা কে তৈরি করেছিলেন?
উত্তর: পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া।

২. প্রশ্ন: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে সবার বাড়িতে পতাকা ওড়ানোর জন্য সরকার কোন প্রচার অভিযান শুরু করেছিল?
উত্তর: হর ঘর তেরঙ্গা।

৩. প্রশ্ন: পতাকার মাঝখানের সাদা অংশে কীসের ছবি থাকে?
উত্তর: অশোক চক্র।

৪. প্রশ্ন: নিয়ম অনুযায়ী সরকারিভাবে ওড়ানোর জন্য জাতীয় পতাকা কোন কাপড়ের তৈরি হওয়া উচিত?
উত্তর: খাদি কাপড়ের।

৫. প্রশ্ন: জাতীয় পতাকার একেবারে ওপরের রংটি কী?
উত্তর: গেরুয়া।

৬. প্রশ্ন: ১৫ই আগস্ট বা স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লির লালকেল্লায় কে পতাকা উত্তোলন করেন?
উত্তর: ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

৭. প্রশ্ন: ভারতের জাতীয় পতাকায় মোট কটি রঙের ডোরা বা দাগ আছে?
উত্তর: ৩টি।

৮. প্রশ্ন: পতাকার একেবারে নিচের সবুজ রং কী বোঝায়?
উত্তর: উর্বরতা, বৃদ্ধি এবং শুভকামনার প্রতীক।

৯. প্রশ্ন: ভারতের জাতীয় পতাকাকে হিন্দিতে সাধারণত কী নামে ডাকা হয়?
উত্তর: তেরঙ্গা।

১০. প্রশ্ন: আমাদের জাতীয় পতাকাকে কবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল?
উত্তর: ২২শে জুলাই, ১৯৪৭ সালে।

১১. প্রশ্ন: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী (BIS) জাতীয় পতাকার মোট কটি নির্দিষ্ট মাপ বা সাইজ রয়েছে?
উত্তর: ৯টি।

১২. প্রশ্ন: পতাকার গেরুয়া রং কীসের প্রতীক?
উত্তর: সাহস ও শক্তির প্রতীক।

১৩. প্রশ্ন: চূড়ান্ত নকশা তৈরি হওয়ার আগে, ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর পছন্দ করা পতাকার মাঝখানে কীসের ছবি ছিল?
উত্তর: চরকা।

১৪. প্রশ্ন: সরকারি নিয়ম (ফ্ল্যাগ কোড) অনুযায়ী, কারা জাতীয় পতাকা ওড়াতে পারেন?
উত্তর: দেশের যেকোনো সাধারণ নাগরিক, বেসরকারি সংস্থা এবং স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

১৫. প্রশ্ন: জাতীয় পতাকা কখন অর্ধেক নামিয়ে (অর্ধনমিত) রাখা হয়?
উত্তর: সরকার ঘোষিত কোনো জাতীয় শোকের দিনে।

১৬. প্রশ্ন: অশোক চক্রের ভেতরে থাকা ২৪টি কাঁটা বা স্পোক কীসের প্রতীক?
উত্তর: ন্যায়ের ২৪টি নীতির প্রতীক।

১৭. প্রশ্ন: দেশ স্বাধীনের আগে ভারতের কোন রাজনৈতিক দল প্রথমবার জাতীয় পতাকার একটি বিশেষ রূপকে গ্রহণ করেছিল?
উত্তর: জাতীয় কংগ্রেস।

১৮. প্রশ্ন: ভারতের জাতীয় পতাকার লম্বা (দৈর্ঘ্য) ও চওড়ার (প্রস্থ) অনুপাত কত?
উত্তর: ৩:২।

১৯. প্রশ্ন: জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার্থে ভারতে মূলত কোন আইনটি প্রয়োগ করা হয়?
উত্তর: ১৯৭১ সালের 'প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট' (Prevention of Insults to National Honour Act, 1971)।

২০. প্রশ্ন: জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও উচ্চতার সঠিক অনুপাত কত হওয়া উচিত?
উত্তর: ৩:২।

২১. প্রশ্ন: ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকা কবে এবং কোথায় ওড়ানো হয়েছিল?
উত্তর: ১৯০৬ সালের ৭ই আগস্ট, কলকাতার পার্সি বাগান স্কোয়ারে (গ্রিন পার্কে)।

২২. প্রশ্ন: পতাকার মাঝখানে থাকা 'অশোক চক্রের' রং কী?
উত্তর: গাঢ় নীল (Navy Blue)।

২৩. প্রশ্ন: জাতীয় পতাকার মাঝখানের সাদা রংটি কীসের প্রতীক?
উত্তর: শান্তি, সত্য ও পবিত্রতার প্রতীক।

২৪. প্রশ্ন: বিদেশের মাটিতে প্রথম কে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন?
উত্তর: মাদাম ভিকাজী কামা (১৯০৭ সালে, জার্মানির স্টুটগার্টে)।

২৫. প্রশ্ন: পতাকার মাঝখানের 'অশোক চক্র' কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: উত্তরপ্রদেশের সারনাথে অবস্থিত অশোক স্তম্ভ থেকে।

২৬. প্রশ্ন: ভারতীয় সংবিধানের কোন ধারা অনুযায়ী জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো প্রতিটি নাগরিকের 'মৌলিক কর্তব্য' (Fundamental Duty)?
উত্তর: ৫১এ(ক) ধারা বা Article 51A(a) অনুযায়ী।

২৭. প্রশ্ন: ২০২২ সালের সংশোধিত পতাকা বিধি অনুযায়ী সাধারণ মানুষ কি রাতেও জাতীয় পতাকা ওড়াতে পারেন?
উত্তর: হ্যাঁ, নতুন নিয়ম অনুযায়ী খোলা জায়গায় দিন-রাত (২৪ ঘণ্টা) সবসময় পতাকা ওড়ানো যায়।

📥 File Details & Download

  • File Name: Indian-National-Flag-GK-Bengali.pdf
  • File Format: PDF
  • No. of Pages: 3
  • File Size: 280 KB

জাতীয় পতাকা জিকে Download PDF